বিগ বসের ঘরে বড় ফাঁস! এ বছরই সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন অভিনেত্রী সোনামণি সাহা?

স্টার জলসার ‘বিগ বস’ বাংলা-এর অন্দরের সমীকরণ এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টেলিভিশনের পর্দায় রাত সাড়ে ন’টার এপিসোড হোক কিংবা জিও হটস্টারের ২৪ ঘণ্টা লাইভ স্ট্রিমিং, প্রতিটি মুহূর্তেই দর্শকদের নজর কেড়ে নিচ্ছে এই রিয়েলিটি শো। সম্প্রতি জন্মাষ্টমীর বিশেষ উদযাপন ও টাস্ক চলাকালীন শো-এর রান্নাঘর থেকেই অভিনেত্রী সোনামণি সাহার বিয়ের জোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত জিও হটস্টারের একটি লাইভ সম্প্রচারের সময়। রান্নাঘরে দুর্নিবার সাহা, সৃজলা গুহ এবং সোনামণি সাহা একসঙ্গে ব্যস্ত ছিলেন। দুর্নিবার যখন পরম যত্নে জন্মাষ্টমীর বিশেষ পায়েস বানাচ্ছিলেন, তখন সৃজলার সঙ্গে তাঁর কথোপকথন জমে ওঠে। কথার ফাঁকে উঠে আসে দুর্নিবার ও তাঁর স্ত্রী মোহরের সম্পর্কের প্রসঙ্গ। দুর্নিবার জানান, দীর্ঘ চার বছরের সম্পর্ক এবং তিন বছরের বিবাহিত জীবনে তাঁরা একটি সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান যে ৩৫ বছর বয়সের আগেই বাবা হওয়ার ইচ্ছে ছিল তাঁর। দুর্নিবারের এই গুছিয়ে ভাবনার প্রশংসা করে সৃজলা বলেন, আজকালকার দিনে এমন মানসিকতার মানুষ সত্যিই বিরল।

ঠিক সেই মুহূর্তে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা সোনামণি সলজ্জ হেসে মন্তব্য করেন যে তিনি এমন একজন পুরুষকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, যাঁর পারিবারিক ভাবনার সঙ্গে দুর্নিবারের মিল রয়েছে। দুর্নিবার কৌতূহলী হয়ে সেই রহস্যময় মানুষের নাম জানতে চাইলে সোনামণি লজ্জা পেয়ে কথা ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সৃজলা নাছোড়বান্দা ভঙ্গিতে সরাসরি প্রশ্ন করে বসেন—তাঁদের বিয়ে কবে হচ্ছে?

কোনো রকম রাখঢাক না করে সোনামণি স্পষ্ট জানান যে চলতি বছরেই তাঁদের বিয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। সৃজলা সঙ্গে সঙ্গে বিয়ের নিমন্ত্রণের কথা মনে করিয়ে দিলে সোনামণিও হাসিমুখে তাতে সায় দেন।

শো-এর দর্শক এবং অনুরাগীদের বুঝতে বাকি নেই যে এই ইশারা কার দিকে। টলিপাড়ায় অভিনেতা প্রতীক সেনের সঙ্গে সোনামণির সম্পর্কের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। পর্দায় এবং বাস্তবের গণ্ডিতে এই জুটিকে নিয়ে ভক্তদের উৎসাহের অন্ত নেই। সোনামণির এই সোজাসাপ্টা স্বীকারোক্তির পর নেটপাড়ায় প্রবল জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি এই বছরই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন প্রতীক ও সোনামণি? উত্তরের অপেক্ষায় এখন থেকেই অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন অনুরাগীরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *