মাত্র ২৭ বছর বয়সেই ৯৪ হাজার টাকা মাসিক বেতন! তরুণী ব্যাঙ্ক কর্মকর্তার সাফল্যের কাহিনি ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে এক সরকারি ব্যাঙ্ক কর্মকর্তার জীবনযাত্রা এবং সাফল্যের গল্প ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। মাত্র ২৭ বছর বয়সে দুর্দান্ত আয় এবং সরকারি চাকরির সুযোগ-সুবিধা দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে গেছেন নেটিজেনরা। যাঁরা ব্যাংকিং সেক্টরে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে চান, তাঁদের জন্য এই তরুণীর জার্নি যেমন চোখ কপালে তোলার মতো, তেমনই প্রবল অনুপ্রেরণাদায়ক।
আড়াই বছরের চাকরি আর আকাশছোঁয়া আয়
ইনস্টাগ্রামে নিজের সাফল্যের গল্প শেয়ার করেছেন আস্থ নামের ওই তরুণী। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি ব্যাংকে মাত্র আড়াই বছর চাকরি করার পরেই তাঁর মাসিক গ্রস স্যালারি পৌঁছে গেছে প্রায় ৯৪ হাজার টাকায়। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি তিনি ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেমে (NPS) প্রতি মাসে প্রায় ১৪ হাজার টাকা করে জমাচ্ছেন।
বেতনের বাইরেও রয়েছে একাধিক লোভনীয় ভাতা
বেসিক স্যালারির পাশাপাশি সরকারি ব্যাঙ্কের এই কর্মীরা পান বিভিন্ন আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা। এর মধ্যে রয়েছে অফিস যাতায়াত ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য পেট্রল খরচ, সংবাদপত্র, মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড বিলের রিইম্বার্সমেন্ট এবং পরিবারসহ চিকিৎসার ও বিনোদনের জন্য বিশেষ ভাতা। সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এবং ভাতাকে একসঙ্গে যোগ করলে আস্থার বার্ষিক মোট প্যাকেজ গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ১২ লক্ষ টাকায়।
এই ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় কমেন্টের জোয়ার বইছে। অনেকেই জানতে চেয়েছেন তিনি কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে এই চাকরি পেলেন, আবার কেউ খোঁজ করছেন ভাতাদিপত্র বা এইচআরএ-র হিসাব।
আজকের দিনেও ভারতে সরকারি চাকরি মানেই বাড়তি নিরাপত্তা এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠা। বিশেষ করে এসবিআই, পিএনবি কিংবা অন্যান্য জাতীয়কৃত ব্যাংকে প্রবেশনরি অফিসার বা পিও পদে কাজ করার আলাদা গ্ল্যামার রয়েছে। আকর্ষণীয় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি কাজের নির্দিষ্ট সময়, সামাজিক সম্মান এবং ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষার কারণেই আইবিপিএস বা আরবিআই-এর পরীক্ষার জন্য প্রতি বছর দেশের লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী দিনরাত এক করে প্রস্তুতি নেন। আস্থার এই ভাইরাল গল্প আরও একবার প্রমাণ করল, সঠিক পরিশ্রম করলে সরকারি ব্যাংকের চাকরি জীবন বদলে দিতে পারে।