৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাক বিমান ধ্বংস! এস-৪০০-এর অবিশ্বাস্য সাফল্যে বড় সামরিক পদক্ষেপ নিলেন মোদী সরকার

রণাঙ্গনে চরম সাফল্যের পর ভারতের আকাশ নিরাপত্তাকে আরও দুর্ভেদ্য করে তুলতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল মোদী সরকার। রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ (S-400) দীর্ঘপাল্লার এয়ার ডিফেন্স স্কোয়াড্রন কেনার জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে মস্কো। সম্প্রতি ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Operation Sindoor)-এর সময় এই রুশ মিসাইল সিস্টেমের কার্যকারিতা ও বিধ্বংসী ক্ষমতা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল, যার পরেই এই নতুন চুক্তির প্রক্রিয়া জোরকদমে শুরু হয়েছে।

অপারেশন সিন্দুরে এস-৪০০ এর ঐতিহাসিক সাফল্য

সেনা সূত্রে জানা গেছে, অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানের একাধিক নজরদারি বিমান এবং যুদ্ধবিমানকে সফলভাবে ধূলিসাৎ করেছিল এই এস-৪০০ সিস্টেম। এমনকি পাকিস্তানের এফ-১৬ বা চিনের দেওয়া জে-১০ (J-10) যুদ্ধবিমানগুলিও ভারতের সীমার ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ঘেঁষার সাহস পায়নি। পশ্চিমা বায়ুসেনা কমান্ডের প্রধান এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র সম্প্রতি এক পডকাস্টে জানান, এস-৪০০ সিস্টেমটি ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাকিস্তানের একটি নজরদারি বিমানকে ধ্বংস করে এ যাবৎকালের দীর্ঘতম সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল কিল-এর রেকর্ড গড়েছে। এমনকি এই সিস্টেমের অবস্থান খুঁজতে পাকিস্তান যে স্পাই বা স্লিপার সেল সক্রিয় করেছিল, তাও নস্যাৎ করে দেওয়া হয়।

চুক্তির বিশদ বিবরণ ও ডেলিভারি

এর আগে ২০১৮ সালের চুক্তির আওতায় ভারত ইতিমধ্যে পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রনের মধ্যে চারটি হাতে পেয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে শেষ স্কোয়াড্রনটিও এসে পৌঁছানোর কথা। নতুন এই ৫০ হাজার কোটিরও বেশি টাকার প্রস্তাবের মাধ্যমে আরও পাঁচটি স্কোয়াড্রন কেনার প্রক্রিয়া চলছে, যা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় তিন বছরের মধ্যে হাতে পাওয়া শুরু হবে। পূর্ব ও পশ্চিম—উভয় সীমান্তেই এই ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করে ভারতের আকাশ নিরাপত্তাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, দেশীয় প্রযুক্তিতে ‘প্রজেক্ট কুশা’-র মাধ্যমে দীর্ঘপাল্লার মিসাইল তৈরির কাজও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভারতের এই মেগা প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রতিবেশি শত্রুদের মনে বড়সড় কম্পন সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কৌশলগত বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *