বারবার ফোন চার্জ দিতে দিতে হয়রান? মাত্র ৫টি সেটিংস বদলালেই ব্যাটারি টিকবে সারাদিন!

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে সবথেকে বড় মাথাব্যথার কারণ হলো দ্রুত ব্যাটারি ফুরিয়ে যাওয়া বা ব্যাকআপ কমে যাওয়া। বিশেষ করে ফোন একটু পুরনো হলেই দিনে দু’-তিনবার চার্জে বসাতে হয়। তবে এর জন্য তাড়াহুড়ো করে নতুন ফোন বা ব্যাটারি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। ফোনের সেটিংসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই ব্যাটারির ওপর চাপ কমবে এবং চার্জ অনেক বেশি সময় ধরে টিকবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই কার্যকরী ৫টি উপায়:
১. ডিসপ্লে ও ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ:
স্মার্টফোনের ব্যাটারি সবচেয়ে বেশি খরচ হয় ডিসপ্লের কারণে। তাই অপ্রয়োজনে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বাড়িয়ে না রেখে কম বা অটো-ব্রাইটনেস মোডে রাখুন। পাশাপাশি ‘স্ক্রিন টাইমআউট’-এর সময় কমিয়ে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড করে দিতে পারেন। এছাড়া ‘অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে’ (Always-On Display) প্রয়োজন না থাকলে বন্ধ রাখাই ভালো।
২. ডার্ক মোডের ব্যবহার:
ফোনে ডার্ক মোড বা নাইট মোড ব্যবহার করলে ব্যাটারির খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এটি যেমন ব্যাটারি বাঁচায়, তেমনই কম আলোয় চোখের ওপর চাপও কমায়।
৩. রিফ্রেশ রেট কমানো:
বর্তমান যুগের বেশিরভাগ স্মার্টফোনেই ৯০Hz বা ১২০Hz রিফ্রেশ রেট থাকে। স্ক্রলিং মসৃণ লাগলেও এতে ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। তাই সেটিংসে গিয়ে রিফ্রেশ রেট কমিয়ে ৬০Hz করে দিলে ব্যাটারি ব্যাকআপ অনেকখানি বেড়ে যাবে।
৪. ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ:
অনেক সময় আমরা ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশ কিছু অ্যাপ চলতে থাকে এবং লোকেশন বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যাটারি খরচ করতে থাকে। ফোনের সেটিংসে গিয়ে কোন অ্যাপ কত শতাংশ ব্যাটারি খাচ্ছে তা দেখে নিন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলির ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি সীমিত করুন বা আনইনস্টল করে দিন।
৫. ফ্লাট মোডের সঠিক ব্যবহার:
দুর্বল নেটওয়ার্কের এলাকায় ফোন বারবার সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করায় দ্রুত ব্যাটারি শেষ হয়। তাই যেখানে নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই বা খুব দুর্বল, সেখানে কিছুক্ষণ ফ্লাইট মোড অন করে রাখতে পারেন। এতে অতিরিক্ত ব্যাটারি ড্রেন হওয়া আটকানো সম্ভব।