আগামীকাল থেকেই বন্ধ ট্রেন চলাচল! কোন কোন রুটে বিপাকে পড়বেন যাত্রীরা? জানুন বিশদে

আগামীকাল রাখিবন্ধন উৎসব। এই পবিত্র উৎসবের আনন্দ উদযাপনের জন্য যাঁরা ট্রেনযাত্রার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক খবর। রেলওয়ের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নন-ইন্টারলকিং কাজের জেরে আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিক দূরপাল্লা ও লোকাল ট্রেন সম্পূর্ণ বাতিল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উৎসবের মরশুমে আচমকা এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই বড় ধরণের যাতায়াত সংকটের মুখে পড়তে চলেছেন সাধারণ যাত্রীরা।

কানপুর-দিল্লি রুটে বড় বাতিল
বিশেষ করে কানপুর সেন্ট্রাল থেকে দিল্লি এবং আনন্দ বিহার রুটে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য পরিষেবা সম্পূর্ণ ব্যাহত হতে চলেছে। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত কিছু জরুরি কাজের জন্য এই রুটের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন আগামী কয়েকদিন চলাচল করবে না।

০২৪৫৭ কানপুর সেন্ট্রাল-আনন্দ বিহার টার্মিনাল এক্সপ্রেস: ৩০ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর এবং ৩ সেপ্টেম্বর বাতিল থাকবে।

০২৪৫৮ আনন্দ বিহার টার্মিনাল-কানপুর সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস: ৩০ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর এবং ৩ সেপ্টেম্বর বাতিল থাকবে।

০২৪৫৫ কানপুর সেন্ট্রাল-নয়া দিল্লি এক্সপ্রেস: ২৮, ২৯ আগস্ট এবং ২ ও ৪ সেপ্টেম্বর বাতিল করা হয়েছে।

০২৪৫৬ নয়াদিল্লি-কানপুর সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস: ২৮, ২৯ আগস্ট এবং ২ ও ৪ সেপ্টেম্বর বাতিল করা হয়েছে।

বাতিল শিয়ালদহ ও খড়গপুর শাখার লোকাল ট্রেন
শুধু দূরপাল্লার ট্রেনই নয়, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শিয়ালদহ এবং খড়গপুর শাখাতেও একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

শিয়ালদহ – রানাঘাট লোকাল (৩১২১১ / ৩১২১২)

শিয়ালদহ – কল্যাণী সীমান্ত লোকাল (৩১৩১১ / ৩১৩১২)

শিয়ালদহ – ব্যারাকপুর লোকাল (৩১৪১১ / ৩১৪১২)

শিয়ালদহ – শান্তিপুর লোকাল (৩১৫১১ / ৩১৫১২)

শিয়ালদহ – কৃষ্ণনগর লোকাল (৩১৮১১ / ৩১৮১২)

পাশাপাশি, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জলেশ্বর ইয়ার্ডে নন-ইন্টারলকিং কাজের জন্য খড়গপুর ও বেলদার মধ্যে চলাচলকারী মেমু লোকালগুলিও বাতিল থাকছে। এর মধ্যে ৬৮০৪৭ খড়গপুর-বেলদা মেমু ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ৬৮০৪৮ বেলদা-খড়গপুর মেমু ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

টাকা ফেরত পাওয়ার নিয়ম
রেলওয়ে কর্তৃক ট্রেন বাতিল করা হলে যাত্রীদের টিকিটের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হয়, এক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত চার্জ কাটা হয় না। আপনি যদি কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে থাকেন, তবে ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের তিন দিনের মধ্যে স্টেশনের কাউন্টারে গিয়ে কনফার্মড টিকিট জমা দিয়ে রিফান্ড নিতে হবে। অন্যদিকে, অনলাইনে টিকিট বুক করা থাকলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি আপনার পেমেন্ট অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো টাকা ফেরত চলে আসবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *