প্রধানমন্ত্রী তরেক রহমানের সরকারের নতুন মন্ত্রী শপথ নেওয়ার পরেই কোন বিতর্ক ঘিরে ধরেছে রাজনীতি? আসল রহস্য লুকিয়ে শেষ লাইনে!

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় রদবদল এনেছে। সম্প্রতি চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী নতুন করে শপথ নিয়েছেন। নতুন শপথ নেওয়া প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম হলেন হুমায়ুন কবির, যিনি এর আগে গত ছয় মাস প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই তাঁর বিদেশি বা দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সোমবার ঢাকার একটি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব না দিয়ে বরং পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন, “কে এটা নিয়ে নিউজ করেছে, কার এত জ্বালা?” তাঁর এই মন্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোরদার বিতর্ক। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ ধারা অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকত্ব থাকলে কেউ সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকতে পারেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কারো উপদেষ্টা পদ সাংবিধানিক পদ না হওয়ায় এবং এর জন্য কোনো শপথ নিতে হয় না বলে এতদিন বিষয়টি সামনে আসেনি।

প্রধান হাইলাইটস:

  • মন্ত্রিসভায় রদবদল: তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারে সম্প্রতি চারজন মন্ত্রী ও দুজন নতুন প্রতিমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন।

  • দ্বৈত নাগরিকত্বের বিতর্ক: পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা থেকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া হুমায়ুন কবিরের বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

  • সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা: সংবিধানের ৬৬ ধারা অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিকত্ব থাকলে তা মন্ত্রী বা সাংসদের মতো সাংবিধানিক পদের ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হয়।

  • আইনি ব্যাখ্যা: সংবিধান বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে উপদেষ্টা পদ সাংবিধানিক না হওয়ায় পূর্বে এই প্রশ্নটি ওঠেনি, তবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে কঠোর আইনি নিয়ম প্রযোজ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *