দলবদল করে এনসিপিতে যোগ দেওয়া সেই ২০ সাংসদের কপালে কী রয়েছে? স্পিকারের নোটিসে লুকিয়ে রয়েছে কোন বড় রাজনৈতিক বার্তা?

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া এবার আরও জোরালো হলো। সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানির ঠিক পরেই লোকসভার স্পিকারের দফতর থেকে ওই ২০ সাংসদের দিল্লির ঠিকানা, সরকারি ইমেল আইডি এবং সরকারি পোর্টালে আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাঁদের এই বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৯ জুন, যখন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগ করে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার দাবিতে অভিষেক সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সাংসদদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে আদালতের মূল পর্যবেক্ষণ ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে হবে। এই মামলায় যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের মধ্যে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ এবং ইউসুফ পাঠানের মতো একাধিক পরিচিত মুখ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
প্রধান হাইলাইটস:
-
স্পিকারের নোটিস: তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদকে স্পিকারের দফতর থেকে নোটিস পাঠিয়ে ৭ দিনের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে।
-
সুপ্রিম কোর্টের নজরদারি: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা রিট আবেদনের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ আদালতের বিশেষ বেঞ্চ এই অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে।
-
আইনি লড়াইয়ের নেপথ্য: তৃণমূলের দাবি, দলের প্রতীকে জিতে অন্য দলে যোগ দেওয়া আইনত দলত্যাগ-বিরোধী আইনের পরিপন্থী, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদরা একে বৈধ একীভূতকরণ বলে দাবি করছেন।