যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সসৈন্যে পুলিশের তল্লাশি! রেজিস্ট্রারের কাছে ভিডিও ফুটেজ চেয়ে বড় পদক্ষেপ প্রশাসনের।

মঙ্গলবার সকালেই সাদা পোশাকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে হানা দেয় যাদবপুর থানার পুলিশকর্মীরা। ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার পর, দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করেন অ্যাসিসট্যান্ট পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ঝা। গত ১৯ আগস্ট রাতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন দুপুর দেড়টা নাগাদ চার সদস্যের পুলিশ প্রতিনিধিদল নিয়ে রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডলের দপ্তরে পৌঁছন এসিপি মনোজ কুমার ঝা। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে তাঁর একান্ত বৈঠক হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মূলত গত ১৯ ও ২০ আগস্টের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য নথিপত্র চেয়ে রেজিস্ট্রারের কাছে নির্দিষ্ট রিকুইজিশন বা আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে এসিপি মনোজ কুমার ঝা জানান যে তাঁরা তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য চেয়েছেন, তবে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অনুমতি ছাড়া এই বিষয়ে এর বেশি কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে, পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান যে, পুলিশের পক্ষ থেকে যে সমস্ত রিকোয়ারমেন্ট বা নথিপত্র চাওয়া হয়েছে, তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় হওয়ায় জনসমক্ষে তা নিয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি। উপাচার্য অসুস্থ থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে তিনিই পুরো বিষয়টি সামলেছেন বলে জানান রেজিস্ট্রার। এছাড়া সাম্প্রতিক নানা বিতর্ক, স্লোগান এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গেও পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া চলার কারণে তিনি অতিরিক্ত কিছু বলতে রাজি হননি।
প্রধান হাইলাইটস:
-
পুলিশের তল্লাশি: মঙ্গলসকালে সাদা পোশাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।
-
রেজিস্ট্রারের সঙ্গে বৈঠক: দুপুর দেড়টা নাগাদ রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডলের ঘরে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বৈঠক করেন এসিপি মনোজ কুমার ঝা।
-
ভিডিও ফুটেজ তলব: গত ১৯ ও ২০ আগস্টের ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দিষ্ট ভিডিও ফুটেজ ও নথি চেয়েছে পুলিশ।
-
তদন্ত প্রক্রিয়াধীন: পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় ও তদন্তাধীন থাকায় এখনই এই নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।