ডুরান্ড ফাইনালে মেগা ডার্বি! খেতাব জিতে বদলা নেওয়ার লক্ষ্য লাল-হলুদের, না কি ট্রফি ধরে রাখবে সবুজ-মেরুন?

যে কোনও খেলায় ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান নামলেই উত্তেজনার পারদ চড়ে যায় চরমে। আর তা যদি হয় ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের ফাইনাল, তবে তো কথাই নেই! রবিবারের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ফের একবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। চলতি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মোহনবাগানের কাছে হেরে যাওয়ার পর, এবার ফাইনালে মধুর বদলা নিতে মরিয়া লাল-হলুদ শিবির।
ট্রফি দখলের লড়াই ও অতীত পরিসংখ্যান
ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল মোহনবাগান এখনও পর্যন্ত ১৭ বার এই ট্রফি জিতেছে। অন্যদিকে, ১৬টি খেতাব নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় সফলতম দল হলো ইস্টবেঙ্গল। রবিবারের ফাইনালে মোহনবাগান জিতলে ব্যবধান বাড়িয়ে ১৭ থেকে ১৮ করতে চাইবে, আর ইস্টবেঙ্গল জিতলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ধরে ফেলে ট্রফির সংখ্যায় সমতা ফেরানোর সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে। আইএসএল শুরুর আগে এই ডুরান্ড জয় দুই শিবিরের জন্যই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করবে।
দুই শিবিরের শক্তি ও কৌশল
-
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট: গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে থাকা সবুজ-মেরুন ব্রিগেড নকআউটে টাইব্রেকারের বাধা পার করে ফাইনালে পৌঁছেছে। কোচ প্যানাজিওটিস দিলিমপেরিসের বড় ভরসা দলের আক্রমণভাগ এবং একসময়ের লাল-হলুদ তারকা তথা বর্তমানের সবুজ-মেরুন মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফিগুইরা। তবে ফাইনালের আগে দলের ফুটবলারদের বিমান বিভ্রাটের কারণে কিছুটা হলেও বাড়তি ধকল পোহাতে হয়েছে।
-
ইস্টবেঙ্গল এফসি: কোচের দায়িত্বে থাকা অভিজ্ঞ অ্যান্টনিও লোপেজ হাবাসের সামনে রয়েছে বড় পরীক্ষা। দলের বিদেশি রক্ষণ বা স্ট্রাইকারের কমতি থাকলেও, সেমিফাইনালে গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং পিরিয়ডিক রিকভারির সুবাদে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে লাল-হলুদ শিবির। আক্রমণভাগে বিষ্ণু পিভি ও বিপিন সিংরা দলের মূল ভরসা।
রবিবারের এই হাইভোল্টেজ ফাইনালে শেষ হাসি কে হাসবে—সবুজ-মেরুন না লাল-হলুদ, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় গোটা ময়দান ও কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী!
খেলাধুলো সংক্রান্ত এই ধরনের টাটকা ও এক্সক্লুসিভ আপডেট পেতে নিয়মিত চোখ রাখুন আমাদের পাতায়।