‘ভবানীপুরের প্রত্যেকটা বাড়িতে আবার আসব!’ জনসংযোগ বাড়াতে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শুক্রবার নিজস্ব বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের একটি অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে এলাকার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি স্পষ্ট জানান, ভবানীপুরকে একটি আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
এক লক্ষ গাছ ও স্মার্ট স্কুল গড়ার পরিকল্পনা
এদিনের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এলাকার পরিবেশ রক্ষা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “ভবানীপুর হবে আদর্শ বিধানসভা। এক লক্ষ গাছ লাগাচ্ছি। স্কুলগুলিকে স্মার্ট স্কুলে পরিণত করব। খেলার মাঠগুলিকে সাজাব। পার্কগুলিকে সাজানোর কাজ শুরু করেছি।” পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি পৌঁছাতে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, “ভবানীপুরের প্রত্যেকটা বাড়িতে আবার একদিন আসব।”
স্বাস্থ্য পরিষেবা ও আয়ুষ্মান ভারতের প্রসঙ্গ
জনসংযোগে গিয়ে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর জোর দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তুলে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া যারা আয়ুষ্মান প্রকল্পের নিয়মের বাইরে থাকবেন, তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা কার্ড দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি দেশের ৩৮ হাজার হাসপাতালে বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হবে।
অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা
এদিনের মঞ্চ থেকে মা অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তার প্রসঙ্গও উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যেই এই অনুদানের টাকা পৌঁছে গেছে। যাঁদের নাম এখনও নথিভুক্ত হয়নি, তাঁদের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পোর্টালে আবেদন করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা নাম নথিভুক্ত করার কাজে সাহায্য করবেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। এলাকার প্রতিটি মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “একজনও যোগ্য বাকি থাকবে না। আপনারা ভরসা-বিশ্বাস ভাই শুভেন্দু অধিকারীর ওপর রাখবেন।”
এই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক খবরের আপডেট এবং রাজ্যের অন্যান্য টাটকা খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের পাতায়।