মায়ের পুরোনো আলমারির ওই শাড়িগুলো ভুলেও ফেলে দেবেন না! এক ধাক্কায় বাঁচবে হাজার হাজার টাকা, লুক হবে একেবারে রাজকীয়

প্রতিটি মেয়ের আলমারিতেই মা কিংবা ঠাকুমার কিছু পুরোনো শাড়ি থাকে, যা হয়তো আর দৈনন্দিন পরা হয় না, অথচ প্রিয় হওয়ায় ফেলে দিতেও মন চায় না। বর্তমান বাজারের কৃত্রিম কাপড়ের চেয়ে সেই আমলের ভারী বেনারসি, সিল্ক বা ঢাকাই জামদানির কাপড়ের মান বহু গুণে ভালো। তাই পুরোনো শাড়িগুলো ফেলে না দিয়ে নতুন রূপ দিলে আপনার পকেটও বাঁচবে, আবার ফ্যাশনেও আসবে দারুণ ট্রেন্ডি লুক।

পুরোনো শাড়ি রিইউজ করার ৫টি দারুণ আইডিয়া:

  • ডিজাইনার লেহেঙ্গা-চোলি: মায়ের ভারী বেনারসি বা কাঞ্জিভরম শাড়ি দিয়ে দারুণ লেহেঙ্গা বানিয়ে ফেলতে পারেন। শাড়ির আঁচলের জমকালো কাজ ব্যবহার করুন চোলিতে। বিয়েবাড়ি বা যেকোনো উৎসবে এটি আপনাকে দেবে এক্কেবারে রাজকীয় লুক।

  • ট্রেন্ডি কুর্তি বা কাফতান: সুতির বা খাদি শাড়ি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন লং কুর্তি বা কাফতান। গরমের দিনে অফিস বা কলেজে পরার জন্য এগুলো ভীষণ আরামদায়ক। শাড়ির পাড়গুলো কুর্তির হাতায় বা নিচে বর্ডার হিসেবে ব্যবহার করলে ডিজাইনে অভিনবত্ব আসে।

  • শারারা ও পালাজো সেট: বর্তমান ফ্যাশনে শারারা ও পালাজো দারুণ ট্রেন্ডে রয়েছে। মায়ের যেকোনো সিল্ক বা জর্জেট শাড়ি দিয়ে শারারা প্যান্ট বানিয়ে নিন। আর ওপরের কুর্তিটি একরঙা রাখলে পুরো সেটটি দেখতে একদম বুটিকের ড্রেসের মতো লাগবে।

  • স্টাইলিশ ডিজাইনার ব্লাউজ: শাড়ির পুরোটা ব্যবহার করতে না চাইলে, শুধু আঁচলের অংশ দিয়ে একটি গর্জিয়াস ডিজাইনার ব্লাউজ বানিয়ে নিন। যেকোনো প্লেন বা একরঙা শাড়ির সঙ্গে এই ব্লাউজ পরলে আপনার পুরো লুকটাই নিমেষে বদলে যাবে।

  • ছোটদের আকর্ষণীয় পোশাক: মায়ের প্রিয় শাড়িটির কিছুটা অংশ দিয়ে আপনার ছোট মেয়ের জন্য একটি সুন্দর লেহেঙ্গা বা ফ্রক বানিয়ে দিতে পারেন। এতে যেমন শাড়ির আবেগ ও স্মৃতি জড়িয়ে থাকবে, তেমনই বাচ্চাকেও দেখতে দারুণ মিষ্টি লাগবে।

বিশেষ টিপস: পুরোনো শাড়ি দিয়ে যেকোনো নতুন পোশাক বানানোর আগে অবশ্যই সেগুলোকে একবার ড্রাই ওয়াশ বা ভালো করে কেচে নিন। এছাড়া ভালো ফিটিংয়ের জন্য এমন কোনো অভিজ্ঞ দর্জি বা বুটিকের সাহায্য নিন, যারা পুরোনো কাপড় রিইউজ করতে পটু।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *