ডিভোর্সের জট কাটতেই বিস্ফোরক সুনীতা! গোবিন্দার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে চরম দাবি শুনে থ সকলেই

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দা এবং তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজার দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবন নিয়ে চর্চা যেন থামার নামই নিচ্ছে না। মাত্র কয়েক দিন আগেই আদালতের পথ থেকে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন সুনীতা। স্বাভাবিকভাবেই অনুরাগীরা ভেবেছিলেন যে তাঁদের সম্পর্কের সমস্ত বরফ গলে গিয়েছে এবং ঝামেলার ইতি ঘটেছে। কিন্তু সেই স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই সম্পূর্ণ নতুন এক বিতর্ক ঘিরে ধরেছে এই তারকা দম্পতিকে। মুম্বইয়ের সাংবাদিকদের সামনে এক ফোনালাপে গোবিন্দার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি করে বসেছেন তাঁর স্ত্রী।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?
সম্প্রতি মুম্বইয়ের পাপারাজ্জিদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সুনীতাকে ফোন করেছিলেন অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। সেই সময় ফোনের স্পিকার অন করা থাকায় কথাবার্তা প্রকাশ্যে চলে আসে। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য সুনীতাকে সমর্থন জানান রাখি। সেই সঙ্গেই মজার ছলে সম্পত্তি নিজের নামে সুরক্ষিত রাখার পরামর্শও দেন তিনি, যাতে অন্য কেউ সুযোগ নিতে না পারে।

এই কথার সূত্র ধরেই সুনীতা প্রকাশ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন যে, অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারকে নাকি বিয়ে করার কথা গুরুতরভাবে ভাবছিলেন গোবিন্দা। আর এই কথোপকথনের অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে গিয়েছে তীব্র শোরগোল।

দীর্ঘদিনের সম্পর্কে হঠাৎ ফাটল কেন?
১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন গোবিন্দা এবং সুনীতা। গত ৩৭ বছর ধরে তাঁরা একসঙ্গে সংসার করছেন এবং তাঁদের দুই সন্তান—কন্যা টিনা ও পুত্র যশবর্ধন রয়েছে। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তাঁদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। বিশেষ করে বিমানবন্দরে গোবিন্দার সঙ্গে কোমলকে দেখার পর থেকেই সুনীতার ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। সেই সময় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অসন্তোষও প্রকাশ করেছিলেন।

যদিও গত ১৯ আগস্ট আইনি লড়াই থেকে সরে এসে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা তুলে নেন সুনীতা। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গোবিন্দার ম্যানেজার শশী সিংহ আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান যে, আদালতের পথ না বেছে পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে এই ধরনের জটিলতার সমাধান করা উচিত ছিল। আইনি জট কাটলেও সুনীতার এই সাম্প্রতিক মন্তব্যে ফের একবার গোবিন্দা ও সুনীতার দাম্পত্য জীবন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *