মালদায় ঘাস কাটতে গিয়ে খুনের শিকার গৃহবধূ! হরিশ্চন্দ্রপুরে চাঞ্চল্যকর মোড়

রাজ্যের মালদা জেলায় একের পর এক ভয়াবহ ঘটনায় জনমনে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। গতকাল হরিশ্চন্দ্রপুরের দৌলতনগর গ্রামের দুই মহিলা সীমানা লাগোয়া বিহারের গোবিন্দপুর এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখানে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাঁদের পথ আটকায়। এক মহিলাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে অপরজন বাধা দেন। তখনই ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে ওই মহিলাকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি কোনোক্রমে পালিয়ে গ্রামে ফিরে আসেন ও ঘটনার কথা জানান। স্থানীয়দের তৎপরতায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাশবনের ভেতর থেকে অন্য মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।

মোথাবাড়িকাণ্ডে সক্রিয় NIA, এবার বিধায়কের স্বামীকে তলব

একদিকে যখন খুনের ঘটনায় তোলপাড় মালদা, অন্যদিকে মোথাবাড়িতে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA। গত পয়লা এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে SIR-এর কাজে আসা বিচারকরা মালদার মোথাবাড়িতে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছিলেন। দুপুরে তাঁদের বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয় এবং মাঝরাতে ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে এই ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে NIA। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হলেও, তারা বর্তমানে জামিনে মুক্ত। এই পরিস্থিতিতে এবার সুজাপুরের বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে NIA।

চড়া সুদে টাকা ধার, দম্পতিকে অমানবিক অত্যাচারের অভিযোগ

শুধু খুন বা কেন্দ্রীয় তদন্তই নয়, মালদায় দম্পতির ওপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়েও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযোগ, চড়া সুদে টাকা নিয়ে তা শোধ করতে না পারায় ইংরেজবাজারের এক দম্পতিকে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। অমরদীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধর ও স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বেপাত্তা। বিজেপির দাবি, অভিযুক্ত অমরদীপ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। যদিও তৃণমূল নেতা এই দাবি অস্বীকার করে এটিকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে অভিহিত করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালদা পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *