নিরামিষের দিনে কচু খেলেই মুখ ফিরিয়ে নেন? এই স্পেশ্যাল পদ বানালে থালা পরিষ্কার হবে নিমেষে

নিরামিষ রান্নার একঘেয়েমি কাটাতে: গরম হোক বা বর্ষাকাল, হেঁশেলে কচুর উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। কিন্তু কচুর নাম শুনলেই অনেকের নাক সিঁটকানোর অভ্যাস রয়েছে। সেই একঘেয়ে কচু রান্নাতেই যদি একটু অন্যরকম ছোঁয়া দেওয়া যায়, তবে মন্দ হয় না। বিশেষ করে নিরামিষের দিনে পাতে এই পদ থাকলে আর অন্য কিছু খুঁজতেই হবে না। কম সময়ে অল্প উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় লোভনীয় কচুর কষা দম।
রোজকার রান্নায় নতুনত্ব আনতে এবং বাড়ির লোকজনকে চমকে দিতে আজই ট্রাই করতে পারেন এই সুস্বাদু রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
গাঠিকচু: ৫০০ গ্রাম
সর্ষের তেল: ২ টেবিলচামচ
গোটা জিরে: ১ চা-চামচ
হিং ও জোয়ান: এক চিমটে করে
হলুদ ও লঙ্কা গুঁড়ো: আধ চা-চামচ করে
ধনে ও জিরে গুঁড়ো: ১ চা-চামচ ও আধ চা-চামচ
আমচুর ও গরমমশলা গুঁড়ো: আধ চা-চামচ করে
অন্যান্য: কুচোনো ধনেপাতা, চেরা কাঁচালঙ্কা, লেবুর রস ও স্বাদমতো নুন
রান্নার সহজ পদ্ধতি
প্রথমে প্রেশার কুকারে গাঠিকচু দিয়ে তিন থেকে চারটি সিটি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপর একটি বড় কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে তাতে হিং, গোটা জিরে এবং জোয়ান ফোড়ন দিন। সেদ্ধ করে রাখা কচুর টুকরোগুলো প্যানে ঢেলে সোনালি রং ধরা পর্যন্ত ভালো করে ভেজে নিতে হবে।
এবার একে একে হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, গরমমশলা গুঁড়ো এবং আমচুর গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। স্বাদমতো নুন দিয়ে মশলার সঙ্গে কচু ভালো করে কষাতে থাকুন। গাঠিকচু আগে থেকেই সেদ্ধ করা থাকায় মশলা কষানোর পর আর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না। নামানোর আগে উপর থেকে চেরা কাঁচালঙ্কা, কুচোনো ধনেপাতা এবং সামান্য লেবুর রস ছড়িয়ে দিলেই তৈরি গরম ভাতের জুতসোপোসা সঙ্গী—কচুর কষা দম।