পুজোয় উত্তরবঙ্গ যাওয়ার টিকিট পাননি? কনফার্ম সিট পেতে কাজে লাগান এই সহজ ট্রিক

আর কদিন বাদেই দুর্গোৎসব। শহর ছেড়ে মাটির টানে ঘরের ছেলেমেয়েদের বাড়ি ফেরা কিংবা পাহাড়ের কোলে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু পুজোর ছুটির কটা দিন উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলিতে টিকিটের যে হাহাকার শুরু হয়েছে, তাতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বহু যাত্রীর। বুকিং উইন্ডো খুলতেই চোখের পলকে উধাও হয়ে গেছে কনফার্ম টিকিট।
মহাষষ্ঠী অর্থাৎ ১৬ অক্টোবরের যাত্রার জন্য টিকিট কাটতে গিয়ে নিরাশ হতে হয়েছে সিংহভাগ মানুষকে। অনলাইন পোর্টাল হোক কিংবা রেলের সংরক্ষণ কাউন্টার—সর্বত্রই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে ওয়েটিং লিস্ট। ভোররাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও বহু মানুষ খালি হাতে ফিরছেন। উত্তরবঙ্গ রুটে অতিরিক্ত ট্রেন বা কোচ বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিনের হলেও, প্রতি বছর পুজোর মরসুমে একই ছবি দেখতে হয় যাত্রীদের।
তবে সরাসরি নিউ জলপাইগুড়ির কনফার্ম টিকিট না পেয়ে মন খারাপ করার দিন শেষ। একটু বুদ্ধি করে যাত্রাপথ সাজালেই মিলতে পারে মুশকিল আসান। এক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে ‘ব্রেক জার্নি’ বা ভেঙে ভেঙে যাত্রা করার পদ্ধতি।
কীভাবে করবেন এই পরিকল্পনা? প্রথমে এনজেপি বা নিউ জলপাইগুড়ির টিকিট না কেটে বারসোই জংশন পর্যন্ত টিকিট কেটে নেওয়া যেতে পারে। কলকাতার দিক থেকে সকালের কুলিক এক্সপ্রেস বা সন্ধ্যার রাধিকাপুর এক্সপ্রেস ধরে প্রথমে পৌঁছে যাওয়া যায় বারসোইয়ে। এরপর সেখান থেকে এনজেপি যাওয়ার একাধিক ট্রেন রয়েছে। মহানন্দা এক্সপ্রেস, শতাব্দী এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত বা ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের মতো ট্রেন ধরে অনায়াসে গন্তব্যে পৌঁছনো সম্ভব।
তবে পুজোর সময় বিকল্প রুটগুলিতেও ভিড় বাড়ে সমান তালে। তাই শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে এখন থেকেই ট্রেনের সময়সূচি ও আসনের উপলব্ধতা দেখে এই বিকল্প পরিকল্পনা ছকে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।