মাছের ডিমের পাতুরিকেও হার মানাবে বড়িভাপা! মাত্র ১৫ মিনিটে কম উপকরণে বানিয়ে চমকে দিন সবাইকে

নিরামিষের দিন বা সপ্তাহের নির্দিষ্ট কোনো বারে রান্নাঘরে কী পদ তৈরি হবে, তা নিয়ে গৃহিণীদের চিন্তার শেষ থাকে না। বিশেষ করে সয়াবিনের নাম শুনলেই পরিবারের অনেকেরই নাক সিঁটকোনোর অভ্যাস রয়েছে। আবার অন্যদিকে, হঠাৎ করে বাড়িতে অতিথি চলে এলে কী রান্না করে তাক লাগাবেন, তা নিয়েও নাজেহাল হতে হয়। আপনাদের এই নিত্যদিনের রন্ধনসমস্যার সুস্বাদু ও সহজ সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি আমরা। বড়ি দিয়ে একঘেয়ে তরকারি বা ঝোল না বানিয়ে, ঝটপট বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ‘বড়িভাপা’। তাও আবার ঘরের খুব সামান্য কিছু উপকরণ দিয়েই।
সুস্বাদু বড়িভাপা তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ:
বড় সাইজের ডালের বড়ি
সর্ষের তেল (৫-৬ টেবিল চামচ)
সাদা সর্ষে (২ টেবিল চামচ) ও কালো সর্ষে (১ টেবিল চামচ)
পোস্ত (১ টেবিল চামচ)
গোটা জিরে (১ টেবিল চামচ)
কাঁচা লঙ্কা (৪-৫টি)
টমেটো (১টি কুচানো)
হলুদ গুঁড়ো (১/২ চা চামচ)
স্বাদমতো নুন ও অল্প চিনি
রান্নার সহজ পদ্ধতি:
১. প্রথমে কড়াইতে পরিমাণমতো সর্ষের তেল গরম করে তার মধ্যে বড়িগুলো সোনালি করে ভেজে তুলে রাখুন।
২. এরপর মিক্সিতে বা শিলনোড়ায় গোটা সর্ষে, জিরে, পোস্ত, নুন এবং কাঁচালঙ্কা একসঙ্গে দিয়ে একটি মিহি পেস্ট বা বাটা তৈরি করে নিন।
৩. এ বার একটি ঢাকনাযুক্ত স্টিলের টিফিনবাক্সে ওই সর্ষে-পোস্ত বাটা, টমেটো কুচি, ভাজা বড়ি এবং বড়ি ভাজার অবশিষ্ট তেল ঢেলে দিন।
৪. মিশ্রণের ওপর থেকে হলুদ গুঁড়ো, চেরা কাঁচা লঙ্কা এবং স্বাদমতো নুন-চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিন।
৫. এবার একটি কড়াই বা পাত্রে অল্প জল দিয়ে তা গ্যাসে বসান। তার মধ্যে টিফিনবাক্সটি বসিয়ে ঢাকনা আটকে দিন।
৬. আঁচ কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভাপিয়ে নিলেই একেবারে তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু ‘বড়িভাপা’।
গরম গরম ভাতের সঙ্গে এই পদ পরিবেশন করলে পরিবারের সবাই আপনার রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে বাধ্য।