ঝাড়খণ্ডে তরুণ প্রজন্মের ঐতিহাসিক জয়! বাতিল সমস্ত বিতর্কিত নিয়োগ পরীক্ষা, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল সিল প্রশাসনের

ছাত্র-যুব শক্তির কাছে অবশেষে মাথা নত করল প্রশাসন। ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনকারী তরুণ প্রজন্মের চাপে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল হেমন্ত সোরেন সরকার। অন্যদিকে, নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া পদক্ষেপ নজিরবিহীনভাবে শুরু হয়েছে বাংলার তারাপীঠেও।

ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলনের বড় জয়

দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্দোলন এবং তরুণ প্রজন্মের চাপের মুখে বড় পদক্ষেপ করল ঝাড়খণ্ড সরকার। ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত অনুষ্ঠিত জেএসএসসি-সিজিএল (JSSC-CGL) এবং টিডিপিএল-এর আওতাধীন সমস্ত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করার ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ব্যাপক স্বস্তি পেয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

সোশাল মিডিয়ায় এই জয়কে স্বাগত জানিয়ে একটি পোস্ট করেছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। যদিও অনশন প্রত্যাহার করা হলেও আন্দোলন থামছে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন প্রতিবাদী ছাত্র-যুবরা। পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে এখনও সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছেন তাঁরা।

তারাপীঠে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের

ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পাশাপাশি বাংলায় পর্যটন কেন্দ্র তারাপীঠেও বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপের খবর সামনে এসেছে। সম্প্রতি একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা এবং দমকলের ছাড়পত্র না থাকায় তারাপীঠের মোট ১৫টি হোটেল বন্ধের নির্দেশ জারি করেছেন রামপুরহাটের মহকুমা শাসক (SDO)।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আদর্শ হোটেল, নকুলচন্দ্র লজ, শৈলেন ভবন, গীতশ্রী গেস্ট হাউস, বীরভূম লজ, হরেকৃষ্ণ ভবন, গিরিধারী ভবন এবং হোটেল দেব। একই তালিকায় রয়েছে তাপ্তি লজ, ভোলানাথ ভবন, আনন্দ ভবন, স্বস্তিক নিবাস, সন্দীপ লজ, কেশরী লজ ও দত্ত ভবন। সম্প্রতি বিদেশিনী হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *