“রাজনীতিতে এসেও ডিমের ভয়!” মহুয়া মৈত্রকে সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়তে দেখে যা মনে হচ্ছে

প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদ ও সাম্প্রতিক বিচারব্যবস্থার পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে, মহুয়া মৈত্রের সুপ্রিম কোর্ট মামলা খারিজ হওয়া প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের মাঝে কাজ করার কথা যাঁর, তিনি যদি সামান্য রাজনৈতিক প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে ভয় পেয়ে আদালতের সুরক্ষাকবচ খোঁজেন, তবে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগু যোগ্য কথাই বলেছেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা স্মরণ করলেই বোঝা যায়, দেশের জন্য যাঁরা নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিলেন, তাঁদের তুলনায় এই ধরণের ছোটখাটো ভয় পাওয়ার মানসিকতা জনপ্রতিনিধিদের শোভা পায় না।
মামলার মূল বিষয়বস্তু:
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট ও বিজেপি নেতার দায়ের করা এফআইআর-এর জেরে এই আইনি জটিলতার সূত্রপাত।
এর আগে কৃষ্ণনগরের আদালতের বাইরে প্রতিবাদের মুখে পড়ার যে অভিজ্ঞতা মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী আদালতে তুলে ধরেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দেওয়ার আর্জি জানানো হয়।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, কেবল সাংসদ বলেই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অধিকার কারও নেই। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং হাজিরা দিতে হবে।
জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হওয়ার সাহস থাকতে হবে। আইনি লড়াইয়ের নামে আদালতের সময় নষ্ট না করে মানুষের আস্থার মর্যাদা দেওয়া উচিত বলেই আমি মনে করি।