কেতন হত্যায় নয়া মোড়! বাগদত্তার ‘গোপন বিয়ে’ ফাঁস, খুনের আগে হোয়াটসঅ্যাপে কী লিখেছিলেন সিয়া?

কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে নেমে পুনে পুলিশের হাতে যে ডিজিটাল প্রমাণ এসেছে, তা দেখে হতবাক তদন্তকারীরাও। পুলিশের দাবি, কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল আদতে বিবাহিত ছিলেন। প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে চার মাস আগেই গোপনে বিয়ে করেছিলেন তিনি!
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটই ধরিয়ে দিল খুনিকে
News18 Marathi-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখেই এই গোপন বিয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের অজান্তে চার মাস আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসা এই যুগল, কেতনকে সরিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ সাজানোর ছক কষছিলেন বলে অভিযোগ।
ভয়ংকর খুনের নেপথ্য কাহিনি
তদন্তকারীদের দাবি, গত ১৮ জুন লোনাভলার ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গের কাছে পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করা হয়। তবে এই খুনের ছক আগে থেকেই তৈরি ছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ জুন কেতনকে হত্যার প্রথম চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সাহস হারিয়ে পিছু হটেন সিয়া। সেই সময় তিনি প্রেমিক চেতনকে মেসেজ করে লেখেন, “আমার এটা করার সাহস হচ্ছে না, তুমিও এসো। আমরা দু’জনে মিলে ওকে পাহাড় থেকে ফেলে দেব।”
কী মিলেছে ডিজিটাল প্রমানে?
পুনে পুলিশ গত ছয়-সাত মাসের ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে এই খুনের যোগসূত্র খুঁজে বের করেছে। অভিযুক্তদের ফোনের কল রেকর্ড, লোকেশন ডেটা এবং ইন্টারনেট সার্চ হিস্ট্রি থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, খুনের পরিকল্পনাটি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় সাজানো হয়েছিল। বর্তমানে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী দুজনেই বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
এই চাঞ্চল্যকর তথ্যের প্রকাশ্যে আসার পর, কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে ঠিক কী কারণে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার এই মরিয়া চেষ্টা করেছিল অভিযুক্তরা।