পুজোর আগেই বাম্পার বোনানজা! রাজ্যবাসীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩০০০ টাকা, ডিএ-তে বড় রেকর্ড!

দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যজুড়ে খুশির হাওয়া! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই একের পর এক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছে। মহিলা, সরকারি কর্মী, পেনশনভোগী থেকে শুরু করে বেকার যুবক-যুবতী—সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জন্য অক্টোবর মাস হতে চলেছে সুখবরের মাস।
এক নজরে উৎসবের উপহার:
-
ডিএ-তে বড় রেকর্ড: দীর্ঘদিনের দাবি মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ (DA) ২০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে তাঁরা মোট ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই এই বর্ধিত হার কার্যকর হবে, যা লক্ষাধিক পরিবারের আর্থিক স্বস্তি ফেরাবে।
-
মহিলাদের জন্য আর্থিক সহায়তা: জুলাই মাস থেকেই রাজ্যের এক কোটিরও বেশি মহিলা সরাসরি ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে শুরু করবেন। এটি বাংলার ইতিহাসে মহিলাদের জন্য অন্যতম বড় আর্থিক প্রকল্প, যা তাঁদের স্বনির্ভর করে তুলবে।
-
বেকারদের জন্য ‘ভরসা কর্মসূচি’: বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য চালু হচ্ছে এই বিশেষ প্রকল্প। ১ অক্টোবর থেকে গ্র্যাজুয়েট প্রার্থীরা মাসে ৩০০০ টাকা এবং অন্যান্যরা শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ২০০০ টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন।
-
অন্নপূর্ণা যোজনা: ইতিমধ্যে জুন মাস থেকেই দরিদ্র পরিবারগুলোর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দিচ্ছে এই প্রকল্প। কোনো রকম দুর্নীতি ছাড়াই সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে এই সহায়তা পৌঁছাচ্ছে।
কেন এই পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ? নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্তগুলিকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উৎসবের মরশুমের ঠিক আগেই মহিলাদের জন্য ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’, সরকারি কর্মীদের জন্য ‘বর্ধিত ডিএ’ এবং বেকারদের জন্য ‘ভরসা কর্মসূচি’—এই তিন বড় উদ্যোগ বাংলার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই জনমুখী পদক্ষেপগুলোর বাস্তবায়নের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যবাসী। অক্টোবরের উৎসবের আবহে এই সরকারি সুবিধার হাত ধরে মানুষের ঘরে ঘরে কতটা আনন্দ পৌঁছায়, এখন সেটাই দেখার।