অলট্রোজে বড় চমক আনছে টাটা! টার্বো ইঞ্জিনের সঙ্গে সিএনজি প্রযুক্তি? ভাইরাল টেস্ট মিউল

ভারতীয় সিএনজি গাড়ির বাজারে টাটা মোটরস ইতিমধ্যেই তাদের ‘ডুয়াল-সিলিন্ডার’ প্রযুক্তির মাধ্যমে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে। এবার নিজেদের প্রিমিয়াম হ্যাচব্যাক অলট্রোজকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থা। সম্প্রতি পুনের রাস্তায় পরীক্ষামূলকভাবে চলা এক নতুন টাটা অলট্রোজের টেস্ট মিউল দেখা যাওয়ায় অটোমোবাইল বিশ্বে জল্পনা তুঙ্গে।
কী দেখা গেল টেস্ট মিউলে?
গোপন রাখতে গাড়িটিকে ছদ্মবেশে ঢাকা হলেও, স্টিয়ারিং হুইলে লাগানো “CNG Only” স্টিকারটি পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, টাটা নতুন কিছু পরীক্ষা করছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, টাটা এবার তাদের অলট্রোজ মডেলে টার্বো-পেট্রোল ইঞ্জিনের সঙ্গে সিএনজি প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটাতে চলেছে।
কেন এই নতুন ইঞ্জিন প্রয়োজন?
টাটার বর্তমান পোর্টফোলিওতে এসইউভি মডেলের দাপটে কিছুটা হলেও কোণঠাসা অলট্রোজ। ২০২৭ সালের মধ্যে টাটার প্রায় সব মডেলে ইভি বিকল্প থাকলেও, অলট্রোজের ক্ষেত্রে এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে বিক্রির তালিকার ১১ নম্বরে থাকা এই গাড়িটির হারানো জনপ্রিয়তা ফেরাতে একটি শক্তিশালী ইঞ্জিনের বিকল্প খুব জরুরি ছিল।
নতুন আপডেটে কী চমক থাকতে পারে?
বর্তমানে অলট্রোজ ১.২ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল, সিএনজি এবং ডিজেল ইঞ্জিনে পাওয়া যায়। নতুন আপডেটে টার্বো-সিএনজি প্রযুক্তি যুক্ত হলে:
পারফরম্যান্সের উন্নতি: বর্তমান ৭২ বিএইচপি শক্তি ও ১০৩ এনএম টর্কের তুলনায় নতুন টার্বো ভার্সন অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।
প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা: হুন্ডাই i20 N Line-এর মতো প্রিমিয়াম হ্যাচব্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে এই মডেলটি টাটার তুরুপের তাস হতে পারে।
এক নজরে অলট্রোজের বর্তমান ইঞ্জিন অপশন:
১.২ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল
১.২ লিটার i-CNG সংস্করণ
ডিজেল ইঞ্জিন
টাটা মোটরস এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা করেনি, তবে টেস্ট মিউলের উপস্থিতিতে এটা স্পষ্ট যে, প্রিমিয়াম হ্যাচব্যাক প্রেমীদের জন্য খুব শীঘ্রই একটি বড় আপডেট আসতে চলেছে। টাটা যদি সত্যিই এই টার্বো-সিএনজি কম্বিনেশন বাজারে আনে, তবে তা সাধারণ মানুষের জন্য যেমন সাশ্রয়ী হবে, তেমনই ড্রাইভিং অভিজ্ঞতায় যোগ করবে নতুন মাত্রা।