২৫০ হরিণ আর লেপার্ডের ডেরা! উত্তরবঙ্গের এই ‘মিনি জু’ হার মানাবে বড় বড় চিড়িয়াখানাকে

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা কোচবিহার বরাবরই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। রাজবাড়ি আর প্রাচীন মন্দিরের বাইরেও এই ‘রাজার শহর’-এ লুকিয়ে আছে এক সবুজ রোমাঞ্চ। হাতে মাত্র ২-৩ দিনের ছুটি থাকলে আপনি অনায়াসেই ঢুঁ মেরে আসতে পারেন কোচবিহারের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র রসিকবিল মিনি জু-তে।

লেপার্ড ও হরিণদের রাজত্ব
কোচবিহারের তুফানগঞ্জ মহকুমায় অবস্থিত এই রসিকবিল মিনি জু। আয়তনে ছোট হলেও বৈচিত্র্যে এটি অনন্য। বর্তমানে এই চিড়িয়াখানার সবথেকে বড় আকর্ষণ হলো এখানকার আবাসিক হরিণের দল। জানা গিয়েছে, বংশবৃদ্ধির ফলে বর্তমানে হরিণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫০-এ। এছাড়াও এখানকার লেপার্ড এনক্লোজার এবং বিচিত্র সব পশুপাখি পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

পাখিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই মিনি জু-এর অন্যতম বিশেষত্ব হলো এখানকার জলাশয়। শীত পড়তেই সুদূর সাইবেরিয়া বা তিব্বত থেকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখিদের কলকাকলিতে ভরে ওঠে গোটা এলাকা। বছরের এই সময়টায় পরিযায়ী পাখিদের ডানা মেলা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভিড় জমান পক্ষীপ্রেমীরা।

কীভাবে ঘুরবেন?
প্রাকৃতিক পরিবেশ আর বন্যপ্রাণীর মেলবন্ধনে রসিকবিল এখন উত্তরবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে সুপারহিট। কোচবিহার শহর থেকে সড়কপথেই খুব সহজে এখানে পৌঁছানো সম্ভব। তাই আর দেরি না করে সামনের উইকেন্ডেই বেরিয়ে পড়ুন। রসিকবিলের পাশাপাশি কোচবিহারের রাজবাড়ি আর মদনমোহন মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য আপনার ভ্রমণকে করবে আরও স্মরণীয়।