আগুন ঝরাচ্ছে আকাশ! এই ৫টি ভুল করলেই স্কুলে যাওয়া সন্তান পড়তে পারে হিটস্ট্রোকের মুখে

আইএমডি (IMD)-এর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ভারতের বড় অংশে তাপমাত্রা এখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। এই পরিস্থিতিতে বড়দের তুলনায় শিশুদের ঝুঁকি অনেক বেশি, কারণ তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং তারা চটজলদি ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়। আপনার সন্তান যদি এই গরমে স্কুলে যায়, তবে তার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই মেনে চলুন:

১. জলপান ও বিশেষ পানীয়:
খালি পেটে বা পর্যাপ্ত জল না খেয়ে রোদে বেরোনো আত্মঘাতী হতে পারে। শিশুকে শেখান, তৃষ্ণা না পেলেও যেন সে অল্প অল্প করে বারবার জল পান করে। জলের বোতলের পাশাপাশি নিয়মিত ওআরএস (ORS), লেবুর জল বা ঘোল দিন। এটি শরীরে খনিজ পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখবে।

২. পোশাক ও সুরক্ষা কবচ:
স্কুলের ইউনিফর্ম যাই হোক, যাতায়াতের সময় গাঢ় রঙের বদলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক ব্যবহার করা ভালো। রোদে বেরোনোর সময় শিশুর মাথা যেন টুপি, সুতির স্কার্ফ বা ছাতা দিয়ে ঢাকা থাকে। সরাসরি সূর্যের আলো সরাসরি মাথায় লাগলে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা প্রবল হয়।

৩. টিফিনে থাকুক ‘কুল’ খাবার:
তৈলাক্ত বা মশলাদার খাবার এই সময় পেটের সমস্যা বাড়াতে পারে। টিফিনে দিন শসা, তরমুজ বা দই-এর মতো জলসমৃদ্ধ খাবার। বাইরের জাঙ্ক ফুড বা অতিরিক্ত ঠান্ডা কোল্ড ড্রিঙ্কস থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

৪. সময়ের দিকে নজর:
দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রোদ সবচেয়ে প্রখর থাকে। এই সময়ে শিশুকে বাইরে খেলাধুলা করতে দেবেন না। উত্তরপ্রদেশের মতো অনেক রাজ্যে ইতিমধ্যেই স্কুলের সময় সকাল ৭.৩০ থেকে কমিয়ে ১২.৩০ করা হয়েছে যাতে প্রখর রোদ এড়িয়ে বাড়ি ফেরা যায়।

সতর্কীকরণ লক্ষণ:
যদি দেখেন শিশুর মাথা ঘোরাচ্ছে, বমি বমি ভাব হচ্ছে বা প্রচণ্ড ক্লান্তি বোধ করছে, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, সঠিক সতর্কতা আপনার সন্তানকে এই দাবদাহেও সুস্থ রাখতে পারে।