ভোটের বঙ্গে আজ সুপার ফ্রাইডে! পানিহাটি ও বারুইপুরে মোদির মেগা সভা, পাল্টা চ্যালেঞ্জ মমতার—কে মারবে শেষ হাসি?

২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় রেকর্ড গড়ে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দ্বিতীয় দফার লড়াইতে কোমর বেঁধে নেমেছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। আজ বঙ্গ রাজনীতিতে এক হাই-ভোল্টেজ দিন। একদিকে যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ঝটিকা সফর, তেমনই পাল্টা হুঙ্কার নিয়ে ময়দানে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
মোদির ‘মিশন বাংলা’: চর্চায় পানিহাটি ও বারুইপুর
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ জনসভা রয়েছে।
পানিহাটি: উত্তর ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রটি এবারের নির্বাচনে সবথেকে বেশি চর্চিত। আজ এখানে মোদির প্রথম সভা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে এলাকাটি কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সভাস্থল।
বারুইপুর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে দ্বিতীয় জনসভাটি করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অঞ্চলের ভোটব্যাঙ্ক নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া পদ্ম শিবির।
মঞ্চ থেকে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার মতো একাধিক ইস্যুতে বিঁধছেন তিনি।
পাল্টা প্রতিরোধে ঘাসফুল শিবির
পিছিয়ে নেই তৃণমূলও। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মেগা সফরের দিনেই জেলায় জেলায় পাল্টা সভা ও রোড-শো করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র সরকারের বিমাতৃসুলভ আচরণ এবং বাংলার বকেয়া পাওনাকে হাতিয়ার করে জনতার দরবারে সরব তৃণমূল নেতৃত্ব।
কেন দ্বিতীয় দফা এত গুরুত্বপূর্ণ?
প্রথম দফার বিপুল ভোটদানের হার দেখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবার জনতা অত্যন্ত সচেতন। আর তাই দ্বিতীয় দফায় এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ শাসক-বিরোধী দু’পক্ষই। পানিহাটির মঞ্চ থেকে মোদির আক্রমণাত্মক ভাষণ কি ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলবে? নাকি মমতার আবেগী প্রচারই শেষ কথা বলবে? নজর এখন সেদিকেই।