ভোটের ডিউটিতে থাকছেন অধ্যাপকরাই! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়ে বড় রায় কলকাতা হাইকোর্টের

আসন্ন নির্বাচনে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত আপাতত বহাল থাকল। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের পথ প্রশস্ত হলো।
কেন সিঙ্গল বেঞ্চের রায় স্থগিত?
এর আগে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ বা সিঙ্গল বেঞ্চ অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিল। তবে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় কমিশন। বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে:
সাংবিধানিক দায়িত্ব: নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছে।
বিশৃঙ্খলা এড়ানো: ভোটের মুখে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এখন নতুন করে কোনো কাটাছেঁড়া করলে প্রশাসনিক স্তরে চরম বিশৃঙ্খলা বা ‘ক্যায়োটিক’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
চূড়ান্ত শুনানি: আপাতত স্থগিতাদেশ বহাল থাকলেও মামলার চূড়ান্ত শুনানির জন্য ‘পেপার বুক’ তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
নিরাপত্তায় কড়া নজর: কমিশনের মেগা প্ল্যান
নির্বাচনে অশান্তি রুখতে এবং অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিচ্ছে কমিশন। এবারের প্রথম দফার ভোটে ফ্লাইং স্কোয়াড এবং স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিমের জন্য রেকর্ড পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী বরাদ্দ করা হয়েছে।
টার্গেট মুর্শিদাবাদ: নজরে স্পর্শকাতর এলাকা
সীমান্তবর্তী জেলা মুর্শিদাবাদে শান্তি বজায় রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট:
৭১টি ফ্লাইং স্কোয়াড টিম।
৭৪টি স্ট্যাটিক সার্ভেলেন্স টিম মোতায়েন করা হচ্ছে।
যেকোনো ধরনের গোলমালের খবর পাওয়া মাত্রই এই ভ্রাম্যমাণ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে।