‘ডিভোর্সের আগে আশীষ এসে কাঁদছিল…’, প্রাক্তন জামাইকে নিয়ে বিস্ফোরক শকুন্তলা বড়ুয়া

অভিনেতা আশীষ বিদ্যার্থীর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে একসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কম চর্চা হয়নি। ৫৭ বছর বয়সে রূপালি বড়ুয়ার সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করায় নেটিজেনদের একাংশের কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এবার সেই বিতর্কিত বিচ্ছেদ ও দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন আশীষের প্রাক্তন শাশুড়ি তথা বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শকুন্তলা বড়ুয়া। এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন জামাইকে নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি।

শকুন্তলার বিস্ফোরক দাবি: শকুন্তলা বড়ুয়ার মেয়ে পিলুর (রাজশী) সঙ্গে দীর্ঘ বৈবাহিক জীবন ছিল আশীষের। তাঁদের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। শকুন্তলা দেবী জানান, “আশীষকে আমি খুব ভালোবাসতাম, এখনও বাসি। কিন্তু ডিভোর্সের আগে ও যখন পিলুর সঙ্গে দেখা করতে আসে, তখন ওর চোখে জল ছিল। আশীষ কাঁদছিল।” তবে এখানেই শেষ নয়, শকুন্তলা দেবীর দাবি অনুযায়ী, আশীষের বর্তমান স্ত্রী রূপালির সঙ্গে অভিনেতার আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন খোদ পিলুই!

সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন: মেয়ের একাকী লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শকুন্তলা। তিনি স্পষ্ট জানান, তাঁদের ছেলেকে পিলু একাই মানুষ করেছে। অভিযোগের সুরে তিনি বলেন, আশীষ সন্তানের সেভাবে দেখভাল করেননি। ২০২২ সালে আশীষ ও পিলুর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একা থাকতে চাননি বলেই ৫৭ বছর বয়সে এসে পুনরায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা।

কটাক্ষ বনাম সম্মান: দ্বিতীয় বিয়ের পর আশীষকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কুরুচিকর আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে অভিনেতা বারবার জানিয়েছেন, প্রথম স্ত্রী পিলুর প্রতি তাঁর মনে আজও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। শকুন্তলা বড়ুয়ার এই সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর আবারও নেটপাড়ায় আশীষ বিদ্যার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রাক্তন শাশুড়ির এই মন্তব্যে অভিনেতা নিজে কী প্রতিক্রিয়া দেন, এখন সেটাই দেখার।