১৯৬৩-র চীন-পাক ‘সীমান্ত চুক্তি’ মানি না! বেজিং ও ইসলামাবাদকে কড়া বার্তা দিল ভারত

ভারত সরকার আবারও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন-পাকিস্তান “সীমান্ত চুক্তি” সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ভারত কখনোই একে স্বীকৃতি দেয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের পুরো অংশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং শাক্সগাম উপত্যকায় ভূখণ্ডগত পরিবর্তনের কোনো চক্রান্ত দিল্লি বরদাস্ত করবে না।
সিপেক ২.০ (CPEC 2.0) ও ভারতের প্রতিবাদ: গত ৪ঠা জানুয়ারি চীন ও পাকিস্তান তাদের অর্থনৈতিক করিডোরের দ্বিতীয় পর্যায় বা CPEC 2.0 ঘোষণা করেছে। ভারত এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে জানিয়েছে, এই করিডোরটি পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারিত্বে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ডের (PoK) ওপর দিয়ে গিয়েছে। শাক্সগাম উপত্যকা দিয়ে এই নতুন রুট তৈরি করা ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর এক নতুন আঘাত বলে মনে করছে দিল্লি।
সিয়াচেন সীমান্তে চিনা থাবা: উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, চিনের G219 মহাসড়ক থেকে নিম্ন শাক্সগাম পর্যন্ত একটি নতুন রাস্তা তৈরি করছে বেজিং। এই নতুন ‘ইয়ারকান্দ-আঘিল-শাক্সগাম’ রাস্তাটি ভারতের সিয়াচেন হিমবাহ এবং সালটোরো রিজ থেকে মাত্র ৩০-৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভারতীয় সেনাবাহিনী এই নির্মাণকাজের ওপর কড়া নজর রাখছে।
কড়া কূটনৈতিক অবস্থান: রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা চিনা পক্ষকে আমাদের প্রতিবাদের কথা জানিয়েছি। নিজেদের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারত যে কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রাখে।” ভারতের এই কড়া অবস্থান চীন ও পাকিস্তানের অশুভ আঁতাতকে বিশ্বমঞ্চে ফের কাঠগড়ায় দাঁড় করাল।