মৃত্যুফাঁদ স্কুলঘর! শান্তিপুরে ১০ দিন আগেই তৈরি মিড-ডে মিলের ছাদ ধসে বিপত্তি, অল্পের জন্য রক্ষা শিক্ষিকার

মাত্র ১০ দিন আগে শেষ হয়েছে নির্মাণকাজ, অথচ এর মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মিড-ডে মিলের ঘরের ছাদ! বুধবার নদীয়ার শান্তিপুরের এক শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে (SSK) এই ভয়াবহ ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কপালজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন স্কুলের একমাত্র শিক্ষিকা রিতা দাস। এই ঘটনায় স্কুলের পরিকাঠামো এবং সরকারি কাজের মান নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শিক্ষিকা রিতা দাস জানান, বুধবার মিড-ডে মিলের ঘর থেকে চাল-ডাল আনতে গিয়েই এই বিপত্তি ঘটে। ঘরের দরজা খুলতেই চোখের সামনে ভেঙে পড়ে ছাদের একাংশ। তাঁর আতঙ্কিত প্রশ্ন, “যদি ওই সময় কোনও পড়ুয়া ঘরের মধ্যে থাকত, তবে কি তার প্রাণ ফিরত?” যদিও পড়ুয়াদের ওই ঘরে যাওয়ার কথা নয়, তবুও অনেক সময় ছোটরা ঢুকে পড়ে। স্কুলের ৪৬ জন খুদে পড়ুয়ার নিরাপত্তা নিয়ে এখন চরম উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
অন্যদিকে, এই কাজের গুণগত মান নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, ‘আমার পাড়া আমার সমাধান’ প্রকল্পের মাধ্যমে হওয়া এই কাজের বিষয়ে অনেক কিছু গোপন করা হয়েছে। কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধিও ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা সঠিক তদন্তের আশ্বাস না দিলে অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে অস্বীকার করেছেন।