হুগলিতে নাবালিকা নিখোঁজে হাড়হিম তথ্য! স্কুলের পিছনে এসে দাঁড়িয়ে গেল স্নিফার ডগ

হুগলির কানাইপুরে নিখোঁজ তেরো বছরের এক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নাবালিকার সন্ধানে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের তদন্তে স্নিফার ডগের ব্যবহার নতুন মোড় এনে দিয়েছে, যেখানে স্নিফার ডগ একটি স্কুলের পিছনের পুকুরপাড়ে এসে থেমে যাওয়ায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কানাইপুর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।

আজ সকাল থেকেই পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে। চন্দননগর পুলিশের ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্ণব বিশ্বাস, আইসি উত্তরপাড়া অমিতাভ সান্যাল সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ডগ স্কোয়াড নিয়ে কানাইপুরের ঘটনাস্থলে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন।

তদন্তে অসীম মজুমদার নামে এলাকারই এক যুবকের নাম উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার দিন ওই যুবকই নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। স্নিফার ডগ নিয়ে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে এবং নাবালিকার বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে, কানাইপুর কলোনী হরিসভা শহিদ বেদী থেকে চলতে চলতে স্নিফার ডগ কন্যা বিদ্যাপীঠ স্কুলের পিছনে একটি পুকুরপাড়ে গিয়ে আচমকা থমকে যায়। এই বিষয়টি পুলিশকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকাল চারটে থেকে কানাইপুরের বছর তেরোর ওই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন কিশোরী নিখোঁজ রয়েছে। অভিযোগ, পড়শি যুবক অসীম মজুমদার তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, যেদিন থেকে ওই নাবালিকা নিখোঁজ ছিল, সেই রাতেই অসীমকে চেপে ধরা হলে মদ্যপ অবস্থায় তিনি একবার বলেই ফেলেছিলেন যে, তিনি নাবালিকাকে মেরে পুঁতে দিয়েছেন। এরপর থেকেই ওই যুবকও বেপাত্তা রয়েছেন।

পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, কেন স্নিফার ডগ ওই নির্দিষ্ট এলাকাতেই এসে থেমে গেল এবং এই ঘটনার পেছনে অসীমের কি ভূমিকা রয়েছে। নাবালিকার সন্ধান এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচনে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।