প্যায়রে মোহন ছবির সেটে অমৃতাকে থাপ্পড় মাড়ায়, ধর্মেন্দ্র কন্যার সাফ জবাব

বলিউডে শুটিং চলাকালীন তারকাদের মধ্যে মতবিরোধ বা মনোমালিন্যের খবর নতুন নয়। একটা সময় তো নায়িকাদের ‘ক্যাট ফাইট’ ছিল Entertainment gossips-এর অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। ২০০৫ সালে এমনই একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল ‘প্যায়রে মোহন’ ছবির সেটে, যখন দুই অভিনেত্রীর মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেই ঘটনার কেন্দ্রে ছিলেন এশা দেওল এবং অমৃতা রাও।

ছবির শুটিং চলাকালীন অমৃতা রাওকে চড় মেরেছিলেন ধর্মেন্দ্র কন্যা এশা দেওল। ঘটনার এত বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও নিজের সেই কাজের জন্য তার কোনো অনুশোচনা নেই, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অকপটে এ কথা জানিয়েছেন এশা।

কেন মেরেছিলেন চড়? এশা জানালেন আসল কারণ:

সম্প্রতি টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘প্যায়রে মোহন’-এর সেটের সেই ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এশা দেওল স্পষ্ট ভাষায় উত্তর দেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি তাঁকে চড় মেরেছিলাম, কারণ সে নিজের সীমা অতিক্রম করেছিল এবং আমার আত্মসম্মানে আঘাত করেছিল। এই কারণেই আমি তাকে চড় মেরেছিলাম, এবং আমার মনে হয়েছে এই আচরণ তার প্রাপ্য ছিল। ওই মুহূর্তে যেটা আমার ঠিক মনে হয়েছে, সেটাই আমি করেছি। আমার এই নিয়ে কোনো আফসোস নেই। আমি শুধু নিজের জন্য এবং আমার মর্যাদার জন্য রুখে দাঁড়িয়েছিলাম।”

এশা দেওল আরও জানান যে, পরবর্তীতে অমৃতা রাও নিজের ভুল বুঝতে পেরে এশার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এশাও তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। বর্তমানে দুজনের মধ্যে আর কোনো শত্রুতা নেই এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক আছে।

প্রসঙ্গত, ‘প্যায়রে মোহন’ সিনেমায় এশা দেওল ও অমৃতা রাও ছাড়াও ফরদিন খান এবং বিবেক ওবেরয় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এই সিনেমার পর এশা ও অমৃতা আর কোনো ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেননি। সেটের সেই ঘটনা হয়তো দুজনের পেশাগত সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলেছিল।