‘প্রায়ই রাতের বেলায় অপরিচিত পুরুষদের আনাগোনা ছিল’- ফাল্গুনী–আরতির সম্পর্ক বলছেন পড়শিরা

কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। নীল রঙের ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করছিল দুই মহিলা। স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়ায় তারা ব্যাগ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক মহিলার নিথর দেহ! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরজুড়ে।
গ্রেফতার হওয়া দুই মহিলার নাম ফাল্গুনী ঘোষ ও আরতি ঘোষ। সম্পর্কে তারা মা-মেয়ে। তারা মধ্যমগ্রামের বিরেশপল্লীতে ভাড়া থাকত প্রায় আড়াই বছর ধরে।
স্থানীয়দের মতে, ওই বাড়িতে প্রায়ই রাতের বেলায় অপরিচিত পুরুষদের আনাগোনা ছিল। প্রতিবেশীরা আপত্তি তুললেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি।
অবশেষে, মঙ্গলবার শিয়ালদহ-হাসনাবাদ লাইনের কাজীপাড়া স্টেশন থেকে টিকিট কেটে কলকাতায় আসে মা-মেয়ে। প্রথমে প্রিন্সেপ ঘাটে দেহ ফেলার চেষ্টা করে, সুবিধা না হওয়ায় কুমোরটুলি ঘাটে চলে আসে। সেখানে ফাঁকা জায়গা খুঁজতে থাকলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
দু’জনকে চেপে ধরতেই তারা দাবি করে ব্যাগে কুকুরের দেহ আছে। কিন্তু স্থানীয়রা চাপে দিলে মহিলার দেহ বেরিয়ে পড়ে।
জেরায় ফাল্গুনী-আরতি স্বীকার করে, দেহটি সুমিতা ঘোষ নামে এক বৃদ্ধার, সম্পর্কে ফাল্গুনীর পিসিশাশুড়ি। তবে খুনের ঘটনা কিনা বা মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি পরিকল্পিত, সেটি পুলিশ তদন্ত করছে।গ্রেফতার হওয়া দুই মহিলা এখনও বিশেষ ভেঙে পড়েনি। পুলিশের নানা প্রশ্নের উত্তর দিলেও সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।