স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, ‘বিকশিত ভারত’ গঠনে যুবকদের আহ্বান

আজ রবিবার, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট করেছেন। মোদী তাঁর বার্তায় বলেছেন, স্বামী বিবেকানন্দ দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অসীম উৎস। স্বামীজি যে ‘শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত’-এর স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর, এমনটাই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মোদী লিখেছেন, ‘স্বামী বিবেকানন্দকে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে প্রণাম জানাই। তিনি তারুণ্যের জন্য এক চিরন্তন প্রেরণা। তিনি তরুণদের মনে আবেগ এবং উদ্দেশ্য সঞ্চারিত করে চলেছেন। তাঁর দেখা একটি শক্তিশালী এবং উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
আজ স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীর দিনে ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়লগ ২০২৫’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল এই বিষয়ে তিনি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ভারতের যুবশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা। ১২ জানুয়ারি একটি বিশেষ দিন, কারণ এটি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তী। এই উপলক্ষে আমি ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়লগ ২০২৫’-এ আমার তরুণ বন্ধুদের সঙ্গে সারাদিন কাটাব।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়লগ ২০২৫’-এ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘বিকশিত ভারত চ্যালেঞ্জ’ লক্ষাধিক যুবককে আকৃষ্ট করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কুইজ, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা এবং সরাসরি আলোচনা। আমি যে যুবকদের সঙ্গে দেখা করব, তারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, সংস্কৃতি এবং আরও অনেক কিছুর প্রতি তাদের গভীর আগ্রহ দেখিয়েছে। আমি সারা ভারত থেকে তরুণদের এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
এদিকে, স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মদিবস ও ৪১তম জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই বেলুড় মঠে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোর ৫টায় স্বামী বিবেকানন্দের মন্দিরে মঙ্গলারতির মাধ্যমে পুজোপাঠ শুরু হয়। এরপর সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুল, ক্লাব ও বেলুড় মঠের অধীনস্থ শাখা সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রভাত ফেরির আয়োজন করা হয়। সেই শোভাযাত্রাগুলি বেলুড় মঠে এসে পৌঁছায়। এই উপলক্ষে মূল মন্দিরের বাঁদিকে একটি অস্থায়ী মণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে স্বামীজি সম্পর্কিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান হচ্ছে। শুধু বেলুড় মঠেই নয়, স্বামীজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে উত্তর কলকাতার সিমলাতেও, যেখানে তাঁর জন্মস্থান, সেখানেও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণেশ্বর, আলমবাজার ও বরানগর মঠেও বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হচ্ছে।