Ram Mandir : অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী রামলালার ভাস্কর প্রশান্ত পান্ডে, রামভক্তদের বাড়লো কৌতূহল

অযোধ্যার রাম মন্দিরে রামলালা প্রতিষ্ঠার পরপরই ঘটে দুটি অলৌকিক ঘটনা। প্রথম ঘটনাটি ছিল রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে হনুমানের প্রবেশ। দ্বিতীয় ঘটনাটি হল, রামলালা মূর্তি তৈরির সময় ভাস্কর প্রশান্ত পান্ডের কাছে সাধুর রূপ নিয়ে এসেছিলেন হনুমানজি।
গত ২৩ জানুয়ারি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে হনুমানের প্রবেশের ঘটনাটি সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা হঠাৎ একটি হনুমানকে গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে দেখেছিলেন। মূর্তির ক্ষতি করতে পারে বলে অনুমান করে ছুটে এসেছিলেন রক্ষীরা। কিন্তু সবাইকে অবাক করে হনুমানটি আস্তে আস্তে মন্দিরের গেট দিয়ে বাইরে বের হয়ে যায়।
এই ঘটনার পর এবার রামলালা মূর্তি তৈরির সময় ভাস্কর প্রশান্ত পান্ডের অলৌকিক অভিজ্ঞতার কথা জানা গেল। তিনি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, রামলালর মূর্তি প্রথম যেদিন তৈরি শুরু করেছিলেন, সেদিন কেউ ছিল না। এ সময় একজন সাধু তাঁর কাছে এসেছিলেন। নাম জিজ্ঞাসা করলেও, সাধু নাম জানাতে অস্বীকার করেন। সাধুকে বসার জন্য একটি চেয়ার দেওয়া হয়েছিল। কিছুক্ষণ থেকে চলে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।
প্রশান্ত জানিয়েছেন, সাধু চলে যাওয়ার পরে ওই চেয়ারে বসেছিলেন তিনি। আর তাতে বসার পর রামলালা মূর্তি তৈরিতে আলাদা এতটি শক্তি অনুভব করেছিলেন বলে জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, হনুমানজি সাধুর রূপ ধারণ করে তাঁকে শক্তি যুগিয়েছিলেন।
প্রশান্তের বাবা সত্যনারায়ণ পান্ডেও সাক্ষাৎকারে অলৌকিক ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রথম প্রথম রামলালা মূর্তির কাজ সাত প্রজন্মের মতো মনে হয়েছিল। কিন্তু মূর্তি তৈরির কাজ সাতমাসে শেষ করার জন্য রামচন্দ্রের আশীর্বাদ ছিল বলে মনে করছেন তিনি। তাঁর মনে হয়েছিল, ভগবান রাম যেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন।
এই ঘটনাটি রামভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করেন, রামলালার মূর্তি তৈরির জন্য হনুমানজির আশীর্বাদ ছিল।