ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের জন্য রাজ্য সরকারের মেগা ধামাকা! এক ধাক্কায় কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় লাল-হলুদ ও সবুজ-মেরুনের

ময়দানের দুই প্রধান ক্লাব— ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের জন্য এক ঐতিহাসিক ও বড়সড় স্বস্তির ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এখন থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন (সল্টলেক স্টেডিয়াম) এবং কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে যেকোনো ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে দুই ক্লাবকেই সম্পূর্ণ ভাড়া মকুবের সুবিধা দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের ফলে প্রতি মরশুমে হোম ম্যাচ আয়োজন করতে গিয়ে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের যে বিপুল অর্থ খরচ হতো, তার একটি বিরাট অংশ সরাসরি সাশ্রয় হবে।
“বাংলার ফুটবলের ঐতিহ্যকে সম্মান”— ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ
রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ News18 বাংলা-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, “বাংলার ফুটবলের সুদীর্ঘ ও উজ্জ্বল ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান। ভারতীয় ফুটবলে তাদের অবদান, বিরাট সাফল্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। এবার থেকে সল্টলেক যুবভারতী বা কিশোর ভারতীতে কোনো রকম ম্যাচ আয়োজন করার ক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান ক্লাবকে আর এক পয়সাও স্টেডিয়াম ভাড়ার বাবদ দিতে হবে না।”
দুই প্রধানের জন্য এক নজরে সরকারি প্যাকেজ
দুই প্রধানের অ্যাকাউন্টে বড় অঙ্কের আর্থিক সাশ্রয়
আইএসএল (ISL), ডুরান্ড কাপ কিংবা এএফসি (AFC)-র মতো উচ্চমানের টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে গিয়ে প্রতি বছর ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান কর্তৃপক্ষকে যুবভারতী এবং কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম বুকিংয়ের পেছনে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে হতো। সরকারি সুরক্ষাকবচ ও মাঠের এই মকুব প্রক্রিয়ার ফলে ক্লাব দুটির আর্থিক বোঝা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
সংগৃহীত এই বাড়তি অর্থ দুই প্রধান এখন থেকে প্লেয়ার সাইনিং, যুব অ্যাকাডেমি সংস্কার এবং বিশ্বমানের পরিকাঠামো গঠনে কাজে লাগাতে পারবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আন্তরিক স্বাগত জানিয়েছে উভয় শিবিরের সমর্থক ও আধিকারিকরা।