বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই হঠাৎ মুখোমুখি সৃজিত-সৃস্মিতা! ক্যামেরার সামনে আসতেই দুজনে যা করলেন…

টলিপাড়ায় কান পাতলেই একসময় শোনা যেত পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং নবাগতা অভিনেত্রী সুস্মিতা দের প্রেমের গুঞ্জন। বিশেষ করে ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির শুটিং ও তার প্রচারের সময় বিভিন্ন পার্টিতে এই জুটিকে হামেশাই একসঙ্গে দেখা যেত। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁদের মধ্যে। এমনকি কদিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে সম্পূর্ণ ‘সিঙ্গেল’ বলেও দাবি করেছিলেন অভিনেত্রী। ঠিক এই আবহেই প্রকাশ্যে এল এক নতুন ভিডিও, যেখানে হইচইয়ের একটি ইভেন্টে হঠাৎই মুখোমুখি হতে দেখা গেল সৃজিত ও সুস্মিতাকে। আর তাঁদের চোখে-মুখেই স্পষ্ট ফুটে উঠল সেই পুরনো অস্বস্তি ও অপ্রস্তুত ভাব।
মুখোমুখি সৃজিত-সুস্মিতা, কী কথা হলো?
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় নিজে এগিয়ে এসে হাত মেলান সুস্মিতা দের সঙ্গে। সৌজন্যমূলকভাবে জানতে চান, ‘হাউ আর ইউ’। উত্তরে পালটা সুস্মিতাও বলেন, ‘হাউ আর ইউ’। এর জবাবে পরিচালক বেশ কেজো বা সংক্ষিপ্ত সুরে জানান, ‘আই এম ফাইন’। এরপর পাপারাজ্জিদের জোরালো অনুরোধে তাঁরা বাধ্য হয়েই একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে পাশাপাশি দাঁড়ান। সেই স্বল্প সময়ের ফোটোশুটেও তাঁদের দু’জনের মধ্যকার অস্বস্তি ও দূরত্ব স্পষ্টভাবেই ধরা পড়ে।
এর আগে বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা স্পষ্ট করেছিলেন, “সিনেমার প্রোমোশনের সময় অনেক জায়গায় যাওয়া হয়েছিল, যে কারণে নানা গুজব রটেছিল। বাট এখন ওঁর সঙ্গে আমার আর কোনো যোগাযোগ নেই। ইটস গুড, ইটস ফাইন। উনিও ব্যস্ত, আমিও ব্যস্ত… উনি ভীষণ ভালো পরিচালক, খুব গুণী মানুষ।” যদিও অভিনেত্রীর পরিবারের এই সম্পর্কের প্রতি মত ছিল না বলেই টলিপাড়ার অন্দরে গুঞ্জন শোনা যায়।
সৃজিত-সুস্মিতার চর্চিত প্রেম ও মিথিলার সমীকরণ
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সৃজিত ও সুস্মিতার প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়েছিল। ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির শুট চলাকালীন সমুদ্রতট থেকে এই জুটির একটি ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছিল। প্রসঙ্গত, এর আগেও টলিপাড়ার একাধিক সুন্দরীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছে সৃজিতের। অন্যদিকে, ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। কিন্তু বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয়েছে। মিথিলা ও তাঁর মেয়ে এখন বেশিরভাগ সময়ই বাংলাদেশে থাকেন। আইনিভাবে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী থাকলেও, ব্যক্তিগত দূরত্বের কারণে টলিপাড়ার অন্দরে সৃজিতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই।