ওজন কমাতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করছেন? বিজ্ঞান যা বলছে জানলে চমকে যাবেন!

ওজন কমানো কিংবা ফিট থাকার লড়াইয়ে ইদানিং সবচেয়ে আলোচিত পদ্ধতিগুলোর একটি হলো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা বিরতি দিয়ে উপবাস করা। কিন্তু প্রতিদিনের খাবার গ্রহণে এই নিয়ম মেনে চলা কি আদতেই স্বাস্থ্যের জন্য জাদুকরী সুফল বয়ে আনে, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনো ঝুঁকি? সাম্প্রতিক বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা এই বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছে।
গবেষণায় কী উঠে এসেছে?
পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং মূলত নির্দিষ্ট কিছু সময় উপবাস এবং নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার একটি পদ্ধতি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই পদ্ধতিতে শরীরের ইনসুলিন সেন্সিভিটি উন্নত হয় এবং মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে। ফলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
সাবধানতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
তবে গবেষকরা এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, এই ফাস্টিং সবার শরীরের জন্য সমানভাবে উপকারী নয়। অপরিকল্পিতভাবে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে শক্তির ঘাটতি দেখা দিতে পারে, যা ক্লান্তি, মাথা ঘোরানো এবং হরমোনের ভারসাম্যে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। বিশেষ করে যাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা অন্যান্য জটিল শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ডায়েট মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
তাই নিজের শরীরের সক্ষমতা বুঝে এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই এই জীবনধারা বা ডায়েট বেছে নেওয়া উচিত।