প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বাংলায় বিরাট ধামাকা! রাজ্যজুড়ে ‘অন্নপূর্ণা দিবস’ পালনের বিশাল আয়োজনে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

আসন্ন ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে গোটা রাজ্যজুড়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘অন্নপূর্ণা দিবস’ (Annapurna Day) পালনের ঐতিহাসিক ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে কলকাতাসহ গোটা রাজ্যে এখন থেকেই সাজসাজ রব পড়ে গেছে। বিধাননগরের বইমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত হতে চলা এই মহা-অনুষ্ঠানে কেবল কলকাতা পুরসভার আওতাধীন ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র প্রায় ১০ হাজার উপভোক্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গিয়েছে।
এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে সুশৃঙ্খলভাবে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, প্রায় ১০ হাজার উপভোক্তাকে বিধাননগরে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজ্য পরিবহণ দফতরের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে ২৫০টি সরকারি বাস বরাদ্দ করা হয়েছে। শুধু যাতায়াতই নয়, নিরাপত্তার দিকটিও কড়াভাবে নজরে রাখা হচ্ছে। প্রতিটি বাসে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন কলকাতা পুরসভার দুজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং দুজন করে সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী।
পাশাপাশি, এই বিশাল আয়োজনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কলকাতা পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করার আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে পুরসভা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে দ্রুত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ পাঠানোর জন্য খোদ পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক তথা মিউনিসিপ্যাল কমিশনার। একইসঙ্গে বরো ভিত্তিক নোডাল পুলিশ আধিকারিকদের নাম ও ফোন নম্বরও তলব করা হয়েছে, যাতে পুরসভার বরো অফিসগুলির সঙ্গে স্থানীয় পুলিশের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় থাকে।
প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট মাসেই ভবানীপুরের একটি জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনটিকে রাজ্যজুড়ে ‘অন্নপূর্ণা দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে এবং প্রতিটি জেলায় অন্নপূর্ণা যোজনার সাহায্যপ্রাপকরা একত্রিত হবেন। শুধু তাই নয়, ওই অনুষ্ঠানেই তিনি ভবিষ্যতে আরও ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ মহিলাকে এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধার আওতায় নিয়ে আসার বড় ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নেই এবার বিধাননগরের মেগা ইভেন্টকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে প্রশাসনিক তৎপরতা।