পুরনো জিনিস বিক্রি করলেই কি কর দিতে হবে? জেনে নিন আয়করের অবাক করা নিয়ম

বাড়িতে পড়ে থাকা পুরনো মোবাইল, ল্যাপটপ, আসবাবপত্র কিংবা জামাকাপড় বিক্রি করে কি পকেট ভারী হচ্ছে? অনেকেই ভাবেন, ঘরের পুরনো জিনিস বিক্রি করলে বোধ হয় সরকারকে কর দিতে হয়। তবে আয়কর আইন অনুযায়ী, সমস্ত ব্যক্তিগত জিনিস বিক্রির ক্ষেত্রে করের নিয়ম এক নয়। দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু সামগ্রী বিক্রি করলে কোনো কর দিতে হয় না, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর।
আয়কর আইনের বিধান অনুযায়ী, জামাকাপড়, আসবাবপত্র, বাসনপত্র এবং মোবাইল বা ল্যাপটপের মতো ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ‘পারসোনাল এফেক্টস’ বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস হিসেবে ধরা হয়। ফলে এই ধরনের জিনিস বিক্রি করে লাভ হলেও সাধারণত কোনো মূলধনী লাভের কর দিতে হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ৮০ হাজার টাকার একটি মোবাইল পরে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করলে তার জন্য কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না।
তবে সব ব্যক্তিগত সম্পত্তি এই ছাড়ের আওতায় পড়ে না। সবচেয়ে বড় ব্যতিক্রম হলো সোনার গয়না বা মূল্যবান ধাতু। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রাখা হলেও গয়না, প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহ, আঁকা ছবি, ভাস্কর্য কিংবা শিল্পকর্ম বিক্রি করে লাভ হলে তা করের আওতায় আসতে পারে। এমনকি আসবাবপত্রে দামি পাথর বা ধাতু ব্যবহার করা থাকলেও তা সাধারণ করমুক্ত সুবিধার বাইরে থাকতে পারে।
বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরনো জিনিস বিক্রির আগে ক্রয়ের বিল, রসিদ এবং ব্যাঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ সংরক্ষণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গয়নার ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী মালিকের ক্রয়মূল্য বিচার করে করের হিসাব করা হয়। তাই পুরনো জিনিস বিক্রির আগে সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন জেনে নেওয়া একান্ত জরুরি।
ভাইরাল ও আকর্ষণীয় শিরোনাম (DailyHunt ফরম্যাট)
পুরনো ফোন বা ল্যাপটপ বিক্রি করলেই কি ট্যাক্স দিতে হয়? জেনে নিন আয়করের কোন নিয়মে বাঁচবে আপনার টাকা
ঘরে পড়ে থাকা পুরনো জিনিস বিক্রির টাকা কি পুরোটাই আপনার? কোন কোন জিনিসে দিতে হয় না কর, জানুন আসল সত্য
সোনা নাকি মোবাইল—কোন পুরনো জিনিস বিক্রি করলে দিতে হবে আয়কর? এক পলকে জেনে নিন চমকে দেওয়া নিয়ম