৩০ মে-র মধ্যেই রিপোর্ট! আবাস যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের পর এবার রাজ্যে শুরু হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দফতরের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু করতে এবার দ্রুত ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

কেন এই তৎপরতা?
দীর্ঘ দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বন্ধ ছিল রাজ্যে। সেই সময়কালে রাজ্যের তৃণমূল সরকার ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের মাধ্যমে নিজের কোষাগার থেকে খরচ চালিয়েছিল। তবে রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই কেন্দ্রের আটকে থাকা প্রকল্পগুলিকে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই প্রকল্পটি যাতে দ্রুত কার্যকর করা যায়, তার জন্য পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দফতর জেলাশাসকদের ৩০ মে-র মধ্যে ভেরিফিকেশনের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

কী এই প্রকল্প?
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। মূলত দুটি অংশে এটি কাজ করে—শহর ও গ্রামীণ। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিকে পাকা বাড়ির সুবিধা দেওয়া। এর অধীনে কেবল আর্থিক সহায়তাই নয়, শৌচাগার, পানীয় জল ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পগুলি পুনরায় চালু হওয়ার খবরে গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতেই এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে।