নিরামিষ দিনে পিঁয়াজ-রসুন ছাড়াই জমিয়ে ভোজন! এভাবে বানান ‘দই আলু’, স্বাদ লেগে থাকবে মুখে

সপ্তাহের একটা বা দুটো দিন নিরামিষ রান্না মানেই অনেক বাড়িতেই যেন চিন্তার শেষ থাকে না। পিঁয়াজ আর রসুন ছাড়া নিরামিষ তরকারি বিস্বাদ হবে— এই ধারণা এবার বদলে ফেলার সময় এসেছে। আজকের প্রতিবেদনে আপনাদের জন্য রইল এমন এক সুস্বাদু ও রাজকীয় পদের হদিস, যা বানাতে উপকরণ লাগবে সামান্যই, কিন্তু স্বাদে হবে টেক্কা দেওয়ার মতো। গরমের দুপুরে ভাতের সঙ্গে হোক বা রাতে গরম লুচি-পরোটার সঙ্গে, এই ‘দই আলু’ (Dahi Aloo) হবে আপনার সেরা পছন্দ।
গরমের জন্য সেরা পদ:
প্রখর গরমের এই সময়ে গুরুপাক মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। দই আলুর এই রেসিপিটি একদিকে যেমন হালকা, তেমনই হজম করা সহজ। মা-ঠাকুমাদের হাতের চিরাচরিত স্বাদ বজায় রেখেই কীভাবে ঝটপট বানিয়ে ফেলবেন এই পদ, দেখে নিন এক নজরে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
ছোট আলু: ৫০০ গ্রাম
ঘন দই: আধ কাপ
গুঁড়ো হলুদ ও লঙ্কা গুঁড়ো: পরিমাণমতো
ভাজা ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ
গরম মশলা: আধ চা চামচ
হিং ও গোটা জিরে: ফোড়নের জন্য
তেজপাতা ও ধনেপাতা কুচি: সাজানোর জন্য
ঘি বা তেল: রান্নার জন্য
রান্নার সহজ পদ্ধতি:
১. প্রথমে ছোট আলুগুলো সামান্য নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন আলু একদম গলে না যায়।
২. এবার একটি পাত্রে দই ফেটিয়ে তার মধ্যে হলুদ, লঙ্কা গুঁড়ো, ভাজা ধনে গুঁড়ো এবং সামান্য নুন মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন।
৩. কড়াইতে ঘি বা সাদা তেল গরম করে তেজপাতা, জিরে ও হিং ফোড়ন দিন।
৪. সুগন্ধ বেরোলে সেদ্ধ আলুগুলো দিয়ে হালকা আঁচে মিনিট দুয়েক ভেজে নিন।
৫. এরপর আঁচ কমিয়ে ফেটানো দইয়ের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভালো করে মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে ৩-৪ মিনিট রান্না হতে দিন।
৬. ঝোল যখন আলুর গায়ে মাখামাখা হয়ে উপরে তেল ভাসতে শুরু করবে, তখন ওপর থেকে গরম মশলা এবং ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
টিপস: রান্নার শেষে সামান্য চিনি দিতে পারেন, এতে দইয়ের টক ভাব আর মশলার ঝালের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
ব্যাস! তৈরি আপনার রাজকীয় দই আলু। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন পরিবারের প্রিয়জনদের পাতে।