৫ দিন পরেই মহাযুদ্ধ! খাসতালুক নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে মমতার সরকারকে চরম বার্তা শুভেন্দুর, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

হাতে বাকি আর মাত্র ৫ দিন। আগামী ২৩শে এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। একদিকে যখন নির্বাচন কমিশন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে সব থানায় কড়া নির্দেশ পাঠাচ্ছে, ঠিক তখনই নিজের খাসতালুক নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন নন্দীগ্রামে আয়োজিত ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। শুভেন্দু দাবি করেন, এবারের ভোট হবে গত কয়েক বছরের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষকে ভয়মুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন এবার কোমর বেঁধে নেমেছে। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি থাকবে। সাধারণ মানুষকে আর কেউ ভয় দেখিয়ে আটকে রাখতে পারবে না।”

শুভেন্দুর বক্তৃতার মূল পয়েন্টগুলো একনজরে:

কমিশনের সক্রিয়তাকে সাধুবাদ: পুলিশ প্রশাসনের ওপর কমিশনের কড়াকড়িকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ যেন কোনো বিশেষ দলের হয়ে কাজ না করে।

ভোটারদের প্রতি বার্তা: নন্দীগ্রামের মা-মাটি-মানুষের লড়াইয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে বুথে যাওয়ার ডাক দেন।

তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি: দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। তাঁর দাবি, “প্রথম দফার ভোটই ঠিক করে দেবে রাজ্যের ভবিষ্যৎ কোন দিকে।”

উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম:
ভোটের মুখে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক আবহাওয়া এমনিতেই বেশ গরম। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক প্রচার, অন্যদিকে শুভেন্দুর আজকের এই ‘বিজয় সংকল্প সভা’—দুই শিবিরের চাপান-উতোর এখন তুঙ্গে। নন্দীগ্রামের এই রণহুঙ্কার ২৩শে এপ্রিলের ইভিএমে কতটা প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার।