TCS-এর বিস্ফোরক পাল্টা দাবি! নাসিক কাণ্ডে মেলেনি যৌন হেনস্থার প্রমাণ? নিদা খানকে নিয়ে বড় তথ্য দিল সংস্থা

নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (TCS)-এ যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তকরণ সিন্ডিকেটের খবর যখন দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে, ঠিক তখনই নীরবতা ভেঙে মুখ খুলল সংস্থা। শুক্রবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে টিসিএস যে দাবি করেছে, তা মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তবে এরই মধ্যে এক পুরুষ কর্মীর ওপর অকথ্য অত্যাচারের কাহিনী সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
টিসিএস-এর দাবি: “কোনো অভিযোগ মেলেনি”
সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, নাসিক ইউনিটের সিস্টেম এবং রেকর্ড পর্যালোচনা করে যৌন হেনস্থা বা ধর্মান্তকরণের কোনো প্রাথমিক প্রমাণ মেলেনি। বিশেষ করে:
সংস্থার নিজস্ব POSH (যৌন হেনস্থা প্রতিরোধ) চ্যানেলে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।
অভিযুক্ত নিদা খান এইচআর ম্যানেজার ছিলেন না, ছিলেন এক সাধারণ ‘প্রসেস অ্যাসোসিয়েট’।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিদার কোনো হাত ছিল না বলেও দাবি করেছে টিসিএস।
কেকি মিস্ত্রির নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের কমিটি
টিসিএস বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব কেকি মিস্ত্রির নেতৃত্বে একটি নজরদারি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি বাহ্যিক সংস্থাকেও যুক্ত করা হচ্ছে।
পুরুষ কর্মীর ওপর ‘ধর্মীয় নিপীড়ন’!
এতদিন শুধু মহিলা কর্মীদের হেনস্থার কথা শোনা গেলেও, এবার এক পুরুষ কর্মীর অভিযোগ হাড়হিম করে দিচ্ছে। ওই কর্মীর দাবি:
তাঁকে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়তে এবং কলমা পড়তে বাধ্য করা হতো।
তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করা হতো।
প্রতিবাদ করলে চলত মানসিক ও পেশাগত হেনস্থা।
পুলিশি পদক্ষেপ ও ঘটনার নেপথ্যে
টিসিএস রেকর্ড খতিয়ে দেখার কথা বললেও পুলিশ কিন্তু বসে নেই। ইতিমধ্যেই সাতজন কর্মীকে (৬ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা) গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে। তিনি দাবি করেন, দানিশ শেখ নামে এক সহকর্মী বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এই দানিশের বোনই হলেন পলাতক নিদা খান।