বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়কন’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক! ইডি-সিবিআইয়ের পর এবার সেন্সর বোর্ডকে অস্ত্র বানাল কেন্দ্র?

তামিলনাড়ুর সুপারস্টার তথা রাজনৈতিক নেতা বিজয়ের শেষ ছবি ‘জন নায়কন’ (Jan Nayakan) মুক্তি ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যেমন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির ওপর ক্ষুব্ধ, তেমনই এবার সরব হলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ইডি, সিবিআই এবং আয়কর দপ্তরের পর এখন সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBIC) বা সেন্সর বোর্ডকেও রাজনৈতিক ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে স্ট্যালিন সরাসরি ছবির নাম না নিলেও স্পষ্ট ভাষায় সেন্সর বোর্ডের ভূমিকার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার এখন সেন্সর বোর্ডকে বিরোধীদের দমনের হাতিয়ার করে তুলেছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
অন্যদিকে, আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ছবিটির প্রযোজক সংস্থা। শুক্রবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ‘জন নায়কন’ ছবিটিকে অবিলম্বে শংসাপত্র দেওয়ার একক বিচারপতির নির্দেশ স্থগিত করে দিয়েছে। এর ফলে থলপতি বিজয়ের শেষ এই ছবির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মূলত ছবির সামরিক প্রেক্ষাপট এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার আশঙ্কায় সেন্সর বোর্ডের চেয়ারপারসন বিষয়টি পর্যালোচনা কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে যুক্তি দেন যে, সেন্সর বোর্ড চেয়ারপারসনের এই পর্যালোচনা করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
ছবিটি ৯ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। এইচ. বিনোদ পরিচালিত এই ছবিতে বিজয় ছাড়াও অভিনয় করেছেন প্রকাশ রাজ, পূজা হেগড়ে এবং মমিতা বৈজুর মতো তারকারা। বর্তমানে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে কয়েক কোটি টাকার এই প্রজেক্ট এবং বিজয়ের ভক্তদের উন্মাদনা এখন বিশ বাঁও জলে।