পেনশন নিয়ে বড় ধামাকা! ২০২৬-এর বাজেটে বাড়তে পারে মাসিক টাকার অঙ্ক, মুখে হাসি ফুটবে কোটি কর্মীদের

চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে বড়সড় চমক দিতে পারে মোদী সরকার। সূত্রের খবর, আসন্ন বাজেটে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS) নিয়ে একাধিক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মূলত সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের অবসরের পর মাসিক পেনশনের অঙ্ক বাড়ানো এবং এই প্রকল্পের আওতা আরও প্রসারিত করাই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কর্মীর বেসিক বেতন বা মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা হলে তবেই তিনি বাধ্যতামূলকভাবে EPS-এর আওতায় আসেন। দীর্ঘদিন ধরে এই ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন কর্মীরা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, কেন্দ্র এই ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করার কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। এটি বাস্তবায়িত হলে যাঁদের বেতন তুলনামূলক বেশি, তাঁরাও এবার থেকে সরকারি পেনশন প্রকল্পের সুবিধা ও নিরাপত্তা পাবেন।
পেনশনের অঙ্ক নিয়েও সুখবর মেলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে ইপিএস-এর অধীনে ন্যূনতম মাসিক পেনশন মাত্র ১ হাজার টাকা, যা বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে অত্যন্ত নগণ্য। কর্মী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এই ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হতে পারে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই সংস্কারের পথে হাঁটছে সরকার।
সাধারণত, একজন কর্মীর মূল বেতনের ১২ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে (EPF) জমা হয়। সমপরিমাণ টাকা দেন নিয়োগকর্তাও, যার মধ্যে ৮.৩৩ শতাংশ যায় পেনশন তহবিলে (EPS)। ১০ বছর নিরবচ্ছিন্ন চাকরি করলে এবং ৫৮ বছর বয়স হলে এই পেনশন পাওয়া যায়। নতুন বাজেটে যদি বেতন ও পেনশনের ঊর্ধ্বসীমা সংক্রান্ত ঘোষণা আসে, তবে দেশজুড়ে কয়েক কোটি কর্মী সরাসরি উপকৃত হবেন। এখন নজর আগামী বাজেট বক্তৃতার দিকে।