নাবালিকার মলদ্বারে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় কাঁটা ভাঙা চামচ, ফের নৃশংস যৌন নির্যাতনের অভিযোগ

পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে এক নাবালিকাকে নৃশংস যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের সদস্যরা কাজের সূত্রে বাইরে থাকার সময় বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী যুবক ওই নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নির্যাতিতাকে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে কোলাঘাট থানার পুলিশ।

আজ, বৃহস্পতিবার বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র হাসপাতালে ভর্তি ওই নাবালিকার সঙ্গে দেখা করতে যান। রাজ্যে বারবার নারী নির্যাতনের ঘটনায় তিনি ফের রাজ্য সরকারের দিকে তীব্র আক্রমণ শানান।

কোলাঘাটের রাইন গ্রামের বাসিন্দা ওই নাবালিকা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার পরিবারের লোকজন কাজে বেরিয়ে গেলে প্রতিবেশী এক যুবক বাড়িতে একা পেয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক নাবালিকার বাড়িতে ঢুকে তাকে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায়। এরপর অভিযোগ, নাবালিকার মলদ্বারে নৃশংসভাবে কাঁটা ভাঙা চামচ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই নারকীয় অত্যাচারের পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে নাবালিকা।

অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কোলাঘাট থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র তমলুক হাসপাতালে যান এবং নির্যাতিতা নাবালিকা ও তার মায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তিনি তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সবরকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে ফাল্গুনী পাত্র রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই বাংলায় বাড়িতেও কোনও মেয়ে সুরক্ষিত না। একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, আর সরকার নির্বিকার।” তিনি এই ঘটনার দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।