ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? ৫ সহজ যোগাসনেই দূর হবে রোগবালাই, বলছে বিশেষজ্ঞরা

স্থূলতার হাত ধরে যে সব রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে, তার মধ্যে অন্যতম ফ্যাটি লিভার। অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার ফলে মেদ লিভারে জমা হতে হতে এই সমস্যা আরও বড় আকার নেয়। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের লিভার সাধারণত ৫ থেকে ৬ শতাংশ চর্বি শোষণ করতে পারে। এর চেয়ে বেশি চর্বি জমা হতে থাকলেই তা বিপজ্জনক। সময় মতো চিকিৎসা না করালে এই অসুখের হাত ধরে সিরোসিস অফ লিভারও হতে পারে।

ডায়াবিটিস, থাইরয়েডের মতো হরমোনজনিত নানা অসুখেও ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়ে। প্রথম থেকে সতর্ক না হলে এই অসুখের জেরে লিভারের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। আপনারও কি ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ধরা পড়েছে? যোগের উপর ভরসা রাখলেই মুক্তি পেতে পারেন এই সমস্যা থেকে। জেনে নিন কোন কোন যোগাসন নিয়মিত করলে এই সমস্যা কমবে।

আরও পড়ুন:
সারা ক্ষণ ঘুম পায়? ভোরে বিছানা ছাড়তেই ইচ্ছে করে না? কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি তো?
সারা ক্ষণ ঘুম পায়? ভোরে বিছানা ছাড়তেই ইচ্ছে করে না? কোনও রোগ বাসা বাঁধেনি তো?
১) পশ্চিমোত্তানাসন: প্রথমে পা ছড়িয়ে শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন। ভাল করে শ্বাস নিন। এর পর মাথার উপরে হাত দু’টি সোজা করে নমস্কারের ভঙ্গিতে প্রসারিত করুন। এ বার শ্বাস ছাড়ুন। শরীর বেঁকিয়ে হাত দু’টি পা পর্যন্ত নিয়ে যান। পা যেন না বেঁকে। এই অবস্থায় হাত দু’টি দিয়ে গোড়ালি জড়িয়ে ধরুন। এ বার পায়ের উপর মাথা রাখুন। কিছু ক্ষণ রাখার পর হাত দু’টি আবার মাথা পর্যন্ত প্রসারিত করুন। তার পর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে যান। মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপও কমায় এই আসন।

২) হলাসন: পিঠ নীচে রেখে ম্যাটে শুয়ে পড়তে হবে। তার পরে হাত মাটিতে রেখে অ্যাক্সেলের সঙ্গে পা দু’টিকে ধীরে ধীরে শিরদাঁড়ার জয়েন্ট মাথার উপর দিয়ে নিয়ে মাটি ছুঁতে হবে।

৩) ধনুরাসন: ম্যাটের উপরে পেট নীচের দিকে রেখে শুয়ে পড়তে হবে। হাঁটু ভাঁজ করে দু’হাত দিয়ে গোড়ালি দু’টি ধরতে হবে। শ্বাস টানার সঙ্গে নাভি মাটিতে ছুঁয়ে রেখে পুরো শরীর তুলে ধরতে হবে।

৪) ভুজঙ্গাসন: পেট নীচের দিকে রেখে ম্যাটে শুয়ে পড়তে হবে। হাত দু’টি থাকবে কাঁধের দু’পাশে। তার পর শ্বাস টেনে কাঁধ ধীরে ধীরে মাটি থেকে তুলে নিতে হবে।

৫) কপালভাতি: পদ্মাসনের ভঙ্গিতে বসে মুখ দিয়ে শ্বাস নিয়ে কিছু ক্ষণ ধরে রাখুন। এ বার ধীরে ধীরে নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। খেয়াল রাখবেন শ্বাস ছাড়ার সময়ে পেট যেন একটু করে ভিতরের দিকে ঢুকে আসে। ২০ বার একনাগাড়ে করতে থাকুন। কিছু ক্ষণ বিরতি নিয়ে আবার করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *