ওষুধ খেয়েও ঘুম আসছে না? অনিদ্রা দূর করতে যা করণীয়, জেনেনিন বিস্তারিতভাবে

নানা কারণে ঘুমের সমস্যা হয়। অসুস্থতা, কাজের ব্যস্ততা ছাড়াও কারও কারও এমনিতেই ঘুম না হওয়ার সমস্যা আছে। ঘুমের ঘাটতি থাকলে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। কেউ কেউ ঘুমের সমস্যা দূর করতে ওষুখ খান। কিন্তু ঘন ঘন ওষুধ খাওয়াও ঠিক নয়। সেক্ষেত্রে ভালো ঘুমের জন্য কিছু নিয়ম মানা জরুরি। যেমর-

প্রতি দিন একই সময়ে ঘুমান: রোজ ঘুমের সময় নির্দিষ্ট রাখতে হবে। এক দিন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লেন, অন্য দিন নেটফ্লিক্সে সারা রাত সিরিজ় দেখে ভোরে ঘুমাতে গেলেন,এমন অভ্যাসে ব্যাহত হবে ঘুমের চক্র। প্রভাব পড়বে শরীরের উপর। ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকা প্রয়োজন। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়তে পারে। ওজন বেড়ে যাতে পারে। শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রতি দিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান।

নিম জলে স্নান : নিম শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। নানারকম ব্যাক্টেরিয়াজাত সংক্রমণ থেকে দূরে রাখতে নিমপাতার জুড়ি মেলা ভার। নিমে ভরপুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। এর অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহনাশক হিসাবে কাজ করে। শরীর ভিতর থেকে পরিষ্কার থাকলে ঘুমও ভাল হবে। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গালকা গরম জলে নিম পাতা মিশিয়ে স্নান করুন। এতে উপকার পাবেন।

পায়ের পাতায় ঘি মালিশ: রান্না সুস্বাদু করতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। তবে যারা দীর্ঘ দিন ধরে অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন, তারাও ভরসা রাখতে পারেন ঘিয়ের উপর। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের পাতায় ঘি মালিশ করলে তাড়াতাড়ি ঘুম আসবে। সেই সঙ্গে ঘুম গাঢ় হবে। ঘি রক্ত চলাচল সচল রাখে। আর রক্তপ্রবাহ ঠিক থাকলে ঘুমও ভালো হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *