কিডনি স্টোন সম্পর্কে যে বিষয়গুলি আপনার অবশ্যই জানা দরকার, দেখেনিন

কিডনি স্টোন হল একপ্রকার স্পটিক যা কিডনিতে বিভিন্ন ধরণের খনিজ এবং নুনের একসঙ্গে লেগে থাকার কারণে তৈরি হয়। এগুলি মূলত আপনি কী খাচ্ছেন, স্থূলত্ব বা অন্যান্য চিকিৎসার কারণে তৈরি হয়ে থাকে।
কিডনিতে পাথর অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং চিকিৎসাও বেশি কঠিন হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে যদি তাদের নির্ণয় না করা হয় তবে এটি বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করে ফলে অস্ত্রোপচারও করতে হতে পারে।
কিডনি স্টোন-এর প্রকার
ক্যালসিয়াম স্টোন
ইউরিক অ্যাসিড স্টোন
স্ট্রুভাইট স্টোন
সিস্টাইন স্টোন
কিডনি স্টোন-এর চিকিৎসা
চিকিৎসা পদ্ধতি এক্ষেত্রে পাথরের গঠন, ধরণ, অবস্থান ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
> ওষুধ – খুব গুরুতর না হলে সংক্রমণের ধরণ অনুযায়ী ওষুধ দিয়ে সারানো যেতে পারে।
> লিথোট্রিপসি(Lithotripsy) – এই পদ্ধতিতে শক ওয়েভগুলি ব্যবহার করে পাথরগুলি ছোট ছোট টুকরো করে আপনার মূত্রনালীর মধ্য দিয়ে পাস করানো হয়ে থাকে
> ইউরেটেরোস্কোপি (Ureteroscopy)- একটি ছোট টেলিস্কোপ যাকে ইউরেটেরোস্কোপ বলা হয়, তা আপনার মূত্রাশয়ে প্রবেশ করিয়ে এবং ইউরেটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পাথরটির অবস্থান বিচার করে তা নির্মূল করা হয়।
> সার্জারি– সার্জারি কিডনি স্টোন চিকিৎসার শেষ পদ্ধতি হিসাবে বিবেচিত হয়।