ব্যাট হাতে শাড়ি পরে ময়দানে নেমে দিব্যি ছক্কা হাঁকালেন সায়ন্তিকা, দেখে অবাক নেটপাড়া, ভাইরাল ভিডিও

রিল নয়, একেবারে রিয়্যাল! শাড়ি পরেই ব্যাট হাতে ময়দানে নেমে দিব্যি ছক্কা হাঁকালেন বরাহনগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র ২০২৪ সালেই নয়, ২০২৫ সালেও ব্যাট হাতে মাঠে নেমে তিনি কামাল করেছেন। বরাহনগরের কোনো এক মাঠে গত বছরের মতোই ফের ক্রিকেট খেলতে দেখা গেছে সেখানকার বিধায়িকা সায়ন্তিকাকে। আর তারই কিছু ঝলক তিনি অনুরাগীদের জন্য ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে সায়ন্তিকা ক্যাপশানে লিখেছেন, ‘#then 2024 & #now2025 with Baranagar’। এই ভিডিয়োতে তিনি দুটি ক্লিপ যুক্ত করেছেন। একটি পুরনো ভিডিয়োতে তাকে একটি সবুজ রঙের শাড়ি পরে ক্রিকেট খেলতে দেখা যাচ্ছে। সেই ভিডিয়োতে যিনি বল করছেন, তিনিও একজন মহিলা। অন্য নতুন ভিডিয়োতে সায়ন্তিকাকে হলুদ রঙের শাড়ি পরে ব্যাট হাতে ছক্কা হাঁকাতে দেখা যাচ্ছে। যদিও এই নতুন ভিডিয়োতে বোলারের দেখা মেলেনি। তবে সায়ন্তিকার এই খেলায় মুগ্ধ হয়ে অনেককেই সেসময় মাঠে দাঁড়িয়ে তার খেলা দেখতে দেখা গেছে।
সায়ন্তিকার এই ভিডিয়োর নিচে বহু অনুরাগী প্রশংসা করে মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘গুড শট’, কেউ আবার লিখেছেন ‘পারফেক্ট শট’। অনেকের মন্তব্য, ‘দারুণ পারফরম্যান্স সায়ন্তিকা’। কেউ কেউ তার শাড়ি পরে খেলার প্রশংসা করে ‘দারুণ সুন্দর’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
View this post on Instagram
প্রসঙ্গত, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার উপনির্বাচনে বরাহনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি মূলত নিজের বিধানসভা এলাকাতেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন। যদিও রাজনীতিতে তিনি নতুন নন, বিধায়ক হওয়ার বহু আগে থেকেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। রাজনীতির কারণে ইদানিং তাকে সিনেমার পর্দায় তেমন দেখা যায় না।
একটা সময় একাধিক সফল বাংলা ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল সায়ন্তিকাকে। তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে নাচের রিয়েলিটি শো ‘নাচ ডুম মাচা লে’ দিয়ে। এরপর তিনি ‘টার্গেট’, ‘হ্যাংওভার’ এবং ‘মনে পরে আজো সেই দিন’ ছবিতে অভিনয় করেন। ২০১২ সালে তিনি অভিনেতা জিতের বিপরীতে ‘আওয়ারা’ ছবিতে অভিনয় করে সাফল্য লাভ করেন। ওই বছরই ‘শুটার’ নামে আরও একটি ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছিলেন। তবে বর্তমানে রাজনীতির ময়দানেই তিনি বেশি সক্রিয় এবং তার এই ক্রিকেট খেলার ভিডিয়ো প্রমাণ করে যে বরাহনগরের মানুষের সঙ্গে তিনি কতটা সহজে মিশে গেছেন।