বাইকে যেসব ভুলে তেল খরচ হয় বেশি, এড়িয়ে না গিয়ে পড়ুন

তেলের দামের কারণে সাধারণ বাইক আরোহীদের পকেটে রীতিমতো টান পড়ছে এর জন্য। কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে বাইক চালানোর সময় অনেকটাই কম তেল পোড়ে।
একনজরে দেখে নেয়া যাক সেগুলো-

নির্দিষ্ট গতিতে বাইক চালালে তেল খরচ অনেক কম । তাই একই গতিতে বাইক চালানোর চেষ্টা করুন। বাইকের স্পিডমিটারে ‘ইকোনমি স্পিড’ দেওয়া থাকে। এর মানে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে বাইক চালানো। এতে তেল পুড়বে কম।
গাড়ির এয়ার ফিলটার পরিষ্কার না থাকলে গাড়ির জ্বালানি খরচ বাড়বে। অপরিচ্ছন্ন এয়ার ফিলটার থাকলে ইঞ্জিনে বাতাস চলাচল করতে পারে না। ফলে ইঞ্জিনের কর্মক্ষমতা কমে যায়। এই সময় ইঞ্জিন বেশি তেল খরচ করে ফেলে। তাই এয়ার ফিলটার পরিষ্কার রাখুন।
ভালো গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েলের ব্যবহার বাইককে ভালো রাখে। এই তেল ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। বারবার ইঞ্জিন অয়েলের ব্রান্ড ও গ্রেড বদলালে বাইকের ইঞ্জিনের ক্ষতি হয়। বাইক নতুন হলে প্রথমেই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
বেশি ওজন হলেই বেশি জ্বালানি খরচ হয়। তাই চেষ্টা করুন খুব দরকার না হলে কাউকে লিফট না দিতে। অনেকেই আছেন যারা পরিচিতের বাইকে করে যাওয়ার সুযোগ নেন। চেষ্টা করুন এই সময়ে সেটা যতটা এড়িয়ে চলা যায়।
জ্যামের মধ্যে থাকলে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন। কারণ বাইক নিউট্রাল থাকলেও তাতে জ্বালানি বেশ ভালোই পোড়ে। তাই অহেতুক ইঞ্জিন চালিয়ে না রাখাই ভালো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *